World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

যে কারণে বিশ্বকাপ ইতিহাসের অংশ হচ্ছে জাপান-তিউনিসিয়া ম্যাচ

যে কারণে বিশ্বকাপ ইতিহাসের অংশ হচ্ছে জাপান-তিউনিসিয়া ম্যাচ

১৯৩০ সালে যখন প্রথম বিশ্বকাপের পর্দা উঠেছিল, তখন পৃথিবী ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। টেলিভিশন ছিল না, ইন্টারনেট ছিল কল্পনারও বাইরে, আর আন্তর্জাতিক ফুটবলও তখনো আজকের মতো বিশ্বজোড়া উন্মাদনার নাম হয়ে ওঠেনি। সেই সময় থেকে কেটে গেছে ৯৬ বছর। বদলে গেছে পৃথিবী, বদলে গেছে ফুটবলও। কিন্তু বদলায়নি বিশ্বকাপের আবেদন।

প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুগ্ধ করে এগিয়ে চলা ফিফা বিশ্বকাপ এবার ছুঁতে যাচ্ছে আরেকটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরটি পৌঁছে যাচ্ছে ১ হাজার ম্যাচের গণ্ডিতে।

মেক্সিকোর এস্তাদিও মন্টেরিতে বাংলাদেশ সময় রোববার সকাল ১০টায় মুখোমুখি হবে তিউনিসিয়া ও জাপান। ম্যাচটি কেবল দুটি দলের লড়াই নয়; বিশ্বকাপ ইতিহাসেরও একটি বিশেষ অধ্যায়। কারণ এটিই হতে যাচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপের এক হাজারতম ম্যাচ। ম্যাচটির সঙ্গে জড়িয়ে থাকবে ইতিহাসের এক বিশেষ মুহূর্ত।

বিশ্বকাপের প্রায় শতবর্ষের যাত্রায় অসংখ্য স্মরণীয় ম্যাচ, নাটকীয়তা, অঘটন ও কিংবদন্তির জন্ম হয়েছে। সেই দীর্ঘ পথচলার এক হাজারতম ধাপের সাক্ষী হতে যাচ্ছে জাপান ও তিউনিসিয়া। ১৯৫৪ বিশ্বকাপে অস্ট্রিয়ার ৩-১ গোলে উরুগুয়েকে হারানো ম্যাচটি ছিল ১০০তম ম্যাচ। ১৯৬৬ সালের ফাইনালে ইংল্যান্ডের ৪-২ গোলে জার্মানিকে হারানোর ম্যাচটি ছিল ২০০তম। ১৯৭৮ সালে একই সময়ে শুরু হওয়ায় ইতালি-অস্ট্রিয়া ও জার্মানি-নেদারল্যান্ডস ম্যাচ দুটিকে একসঙ্গে ৩০০তম ম্যাচ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

এরপর ৪০০তম ম্যাচে আর্জেন্টিনা হারিয়েছিল উরুগুয়েকে, ৫০০তম ম্যাচের স্বীকৃতি পেয়েছিল নাইজেরিয়া-গ্রিস ও বুলগেরিয়া-আর্জেন্টিনা ম্যাচ। ৬০০তম ম্যাচে উরুগুয়ে ও ফ্রান্স গোলশূন্য ড্র করে, ৭০০তম ম্যাচে ফ্রান্স হারায় স্পেনকে। ৮০০তম ম্যাচে জার্মানি ও ঘানার ২-২ ড্র এবং ৯০০তম ম্যাচে ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী ফাইনালে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারানোর ম্যাচটিও জায়গা করে নিয়েছে ইতিহাসে।

এবার সেই তালিকায় যুক্ত হতে যাচ্ছে জাপান ও তিউনিসিয়ার নাম। হয়তো ম্যাচটির ফলাফল সময়ের সঙ্গে অনেকের স্মৃতি থেকে মুছে যাবে। কিন্তু বিশ্বকাপের এক হাজারতম ম্যাচের অংশ হিসেবে এই দুই দলের নাম থেকে যাবে ফুটবল ইতিহাসের পাতায়।

এইচজেএস