World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

গ্যালারিতে হালান্ড-সুর, মাঠে হালান্ড শো

গ্যালারিতে হালান্ড-সুর, মাঠে হালান্ড শো

নিউজার্সি স্টেডিয়ামে কিছুক্ষণ পরপরই রব উঠছিল– ‘হালান্ড, হালান্ড’। নরওয়ের সবচেয়ে বড় তারকা ও গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার। বড় খেলোয়াড়রা বড় ম্যাচে জ্বলে ওঠেন। আর্লিং হালান্ডও সেনেগালের বিপক্ষে নিজের জাত চেনালেন দুই গোল করে। অবশ্য নিজের সবশেষ ৬ ম্যাচেই তিনি একই কীর্তি দেখিয়ে আসছেন।

নিউজার্সি স্টেডিয়ামের মিডিয়া ট্রিবিউন গোল পোস্টের পেছনে। তাই প্রথমার্ধে সেনেগালের বক্সে হালান্ডের প্রতিটি মুভমেন্ট খুবই কাছ থেকে দেখা গেছে। ডিফেন্ডাররা কখনও তার গতির কাছে, আবার কখনও স্কিলের কাছে পরাজিত হয়েছেন। নরওয়ের প্রথম গোলের যোগানদাতা হালান্ড। দারুণ দক্ষতায় বক্সের মধ্যে তার নামিয়ে দেওয়া বল মার্কাস হোমগ্রেন পেডারসেন প্লেসিংয়ে গোল করেন।

dhakapost

দ্বিতীয়ার্ধের পুরোটা জুড়েই চলেছে হালান্ড শো। পুনরায় ম্যাচ শুরুর তিন মিনিটের মধ্যে তিনি একক দক্ষতায় গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। মিনিট পাঁচেক পর গোল করে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালান সেনেগালের ইসমাইলা সার। তবে সেনেগাল নরওয়েকে চেপে ধরার আগেই আবার গোল করেন হালান্ড। এবার বক্সের মধ্যে দারুণ শটে লক্ষ্যভেদ। গোল উদযাপনে খুব শান্ত স্বাভাবিক। কর্নার পতাকা এক হাত আরেক হাত কোমরে রেখে উদযাপন। 

গতকাল ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে সেনেগালের কোচকে বারবার হালান্ড নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, ‘শুধু হালান্ড নয়, আমরা পুরো দল নিয়েই ভাবছি।’ আর বাস্তবে সেনেগালকে হারের তিক্ততা দেওয়ার পথে হালান্ড করলেন জোড়া গোল ও আরেক গোলে সহায়তা। গ্রুপে টানা দ্বিতীয় জয় নিশ্চিত করে নরওয়ে–ও নকআউট পর্বে নাম লিখিয়েছে। 

Image

ক্লাব ফুটবলে গোলের পর গোল করে তাক লাগান হালান্ড। তার পারফরম্যান্সের জোরেই নরওয়ে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের বাঁধা পেরিয়েছে। বিশ্বকাপের মূল পর্বেও দুই ম্যাচে দুটি করে চার গোল করলেন ২৫ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। পুরো সময় হালান্ড বলের সন্ধানে থাকেন। যখনই বল পান কখনও নিজে কখনোবা সতীর্থকে তৈরি করে দেন গোলের ভালো সুযোগ। 

দ্বিতীয়ার্ধে ৯ মিনিট ইনজুরি সময় দেন চতুর্থ রেফারি। শুরুর দিকে ইসমাইলা আরেক গোল করলে খেলায় উত্তেজনা ফিরে আসে। বাকি সময়ে সেনেগাল গোলের জন্য নরওয়ের বক্সের ওপর চাপ রেখেছিল। স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নরওয়ে সঙ্কটপূর্ণ সময়েও হালান্ডের পায়ে বল রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে। তার পায়ে বল থাকলেই নরওয়ে সবচেয়ে নিরাপদ। 

এজেড/এএইচএস