ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে পর্তুগালের ১-১ গোলের ড্রয়ের পর নানান খবর চাউড় হতে থাকে। সবই নেতিবাচক। বিশেষ করে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে ঘিরে। সেই ম্যাচে নিজের ছায়া হয়ে ছিলেন দলের প্রধান খেলোয়াড়। সতীর্থদের সঙ্গে রেষারেষির খবর ছড়াতে থাকে। তবে সব নিন্দুকদের জবাব মাঠেই দিলেন রোনালদো।
হিউস্টন স্টেডিয়ামে উজবেকিস্তানকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিলো পর্তুগাল। জোড়া গোল করলেন রোনালদো। সতীর্থদের বানিয়ে দেওয়া বলেই দুইবার লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। নিজের ও প্রতিপক্ষের বক্সেও দায়িত্ব পালন করেন সিআরসেভেন। প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ছয়টি বিশ্বকাপে গোলের কীর্তি গড়ার পর দশম গোলে এই মঞ্চে পর্তুগালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন।
ম্যাচ শেষে নিজের আবেগ লুকাতে পারেননি রোনালদো, ‘আমি খুবই আনন্দিত। তবে আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমাদের পরিশ্রম এবং আমরা যে আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছি সেটা।’
তিনি আরও বলেন, “দল সত্যিই খুব ভালো খেলেছে এবং অনেক উন্নতি করেছে। যেমনটা কথায় বলে— ‘প্রত্যেক মেঘের আড়ালে রুপালি রেখা থাকে’।” যে প্রবাদের অর্থ প্রতিটি অন্ধকার পেছনেই একটি আশার আলো লুকিয়ে থাকে। আশাবাদী রোনালদো আরও যোগ করেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে বলতে গেলে, রেকর্ড গড়তে সবসময়ই ভালো লাগে। তবে আমার মূল লক্ষ্য সবসময় জাতীয় দলের জয়ে অবদান রাখা বা সাহায্য করা।’ ম্যাচ শেষ হতেই এক্স-এ রোনালদোর পোস্ট, ‘আমরা ফর্মে ফিরে এসেছি। টুর্নামেন্টে টিকে আছি।’
পর্তুগাল কোচ রবের্তো মার্তিনেস আজকের ম্যাচের ফলাফলে ‘খুবই সন্তুষ্ট’। জয়ের পর পর্তুগালের এই ম্যানেজার বলেন, ‘ড্রেসিংরুমে আমরা ঠিক এই প্রতিক্রিয়াটাই আশা করেছিলাম।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘টুর্নামেন্টে নিজেদের উত্তরোত্তর উন্নতির জন্য কখনো কখনো প্রথম ম্যাচের মতো একটি ম্যাচের মধ্য দিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে। আজ আমরা ঠিক একই মানসিকতা ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ একটি দলকে মাঠে দেখেছি, তবে আজ তাদের মাঝে পরিপক্বতা ছিল অনেক বেশি, কারণ এটি আর উদ্বোধনী ম্যাচ ছিল না।’
এফএইচএম

