২০২৬ সালের বিশ্বকাপ শুরুর আগে নানা ঘটনায় আলোচিত ছিল। বল মাঠে গড়ানোর পর থেকে সেই ঘটনা একের পর এক পেছনে পড়েছে। প্রতি দিন চারটি করে ম্যাচ হচ্ছে। প্রায় প্রতি দিনই নানা রেকর্ড হচ্ছে।
এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় তারকা মেসি, রোনালদো, নেইমার, এমবাপে ও হালান্ড। তাদের মধ্যে চার জনই ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছেন এবং দুটি করে গোলও করেছেন। একমাত্র নেইমারের খেলা হয়নি এখনো। তাই ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টারের বড় চ্যালেঞ্জ নিজেকে প্রমাণ করার।
গতকাল একই দিনে ভিন্ন চার ম্যাচে মেসি, হালান্ড, এমবাপে ও রোনালদো নেমেছিলেন। চার জনই তাদের দলকে জিতিয়েছেন এবং প্রত্যেকেই জোড়া গোল করেছেন। সবশেষ পর্তুগালের উজবেকিস্তানকে হারানোর ম্যাচে রোনালদোও জোড়া গোল করেছেন। ৪০ বছরের বেশি বয়সে তার এই পারফরম্যান্স বিশ্বকাপে নতুন আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
গতকাল মিরোস্লাভ ক্লোসাকে ছাড়িয়ে মেসি ১৮ গোলের নতুন রেকর্ড গড়েছেন বিশ্বকাপে। সেটা করেও খুব বেশি স্বস্তি নেই। ফ্রান্সের এমবাপে খুব দ্রুত গতিতে এগিয়ে আসছেন। এই বিশ্বকাপে এমবাপে ও হালান্ড ৪ গোল আর মেসি ৫ গোল করে বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন।
ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমারের গল্পটি অবশ্য ভিন্ন। আনচেলত্তি তাকে দলে নেবেন কিনা এ নিয়ে বেশ সংশয় ছিল। শেষ পর্যন্ত তাকে নিয়েই আমেরিকায় এসেছে ব্রাজিল। প্রথম দুই ম্যাচ নেইমার খেলে পারেননি। আগামীকাল স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাইতি ম্যাচের পরই আনচেলত্তি স্কটল্যান্ড ম্যাচে নেইমারকে খেলানোর কথা বলেছেন।
দীর্ঘদিন ব্রাজিলিয়ান ফুটবল অনুসরণ করেন ব্রাজিলিয়ান সাংবাদিক আদ্রিয়ানো। তিনি নেইমারকে স্কটল্যান্ড ম্যাচে জ্বলে উঠা ছাড়া বিকল্প দেখছেন না, ‘ভিনি দুই ম্যাচে দুর্দান্ত খেলেছে। এখন নেইমারকে কিছু করে দেখাতে হবে। মেসি, রোনালদো, হালান্ড, এমবাপে সবাই দুর্দান্ত খেলছে। এবার নেইমারের পালা হওয়া উচিত।’
ব্রাজিল নিউইয়র্কে বেস ক্যাম্প করেছে। মরক্কোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ নিউ জার্সিতে খেলেছে। পরের ম্যাচ হাইতির বিপক্ষে নিউইয়র্ক থেকে ১৫০ মাইল দূরে ফিলাডেলফিয়ায়। গ্রুপের শেষ ম্যাচ ফ্লোরিডা রাজ্যের মায়ামিতে আগামীকাল স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। ওই ম্যাচ খেলতে আজ নিউইয়র্ক ছেড়ে মায়ামি পৌঁছে অনুশীলনও করেছে আনচেলত্তি শিষ্যরা।
এজেড/এফএইচএম

