আর্জেন্টিনার বিপক্ষে প্রথমার্ধে দুই গোলে পিছিয়ে ছিল জর্ডান। দ্বিতীয়ার্ধেও ছিল কিছুটা কোণঠাসা। ধারার বিপরীতে ৫৫ মিনিটে দারুণ এক দলগত আক্রমণে আর্জেন্টিনার জাল কাঁপালেন জর্ডানের মুসা আল তামারি। ব্যবধান কমিয়ে আর্জেন্টিনা-জর্ডান ম্যাচের স্কোরলাইন এখন ২-১।
আর্জেন্টিনার রক্ষণদেয়াল টপকে আল তামারি ও আল মারদি বল দেওয়া-নেওয়া করে বক্সে ঢুকে পড়েন। এরপর এহসান হাদ্দাদ কোণাকুণি বল বাড়ালে শরীরটা স্লাইড করে পা বাড়িয়ে দারুণ ফিনিশিং দিয়েছেন আল তামারি। এমিলিয়ানো মার্টিজেন শুয়ে পড়ে হাত ছোঁয়ালেও বল থামাতে পারেননি। জড়িয়ে যায় জালে।
এর আগে প্রথমার্ধজুড়ে অনেকটা একপেশে দাপট ছিল আলবিসেলেস্তেদের। ৭২ শতাংশ পজেশনের পাশাপাশি দুটি লক্ষ্যে শট, বিপরীতে কোনো শটই লক্ষ্যে ছিল না জর্ডানের। উল্টো বক্সের সামনে এবং গোলমুখে দুটি ফাউল করে প্রতিপক্ষকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। আর্জেন্টিনা প্রথম লিড পায় ১৯ মিনিটে, দারুণ এক ফ্রি-কিকে গোলটি করেন লো সেলসো।
এর আগে তিনি বল নিয়ে জর্ডানের বক্সে ঢোকার মুখে কড়া চ্যালেঞ্জে ফেলেন আবু তাহা। রেফারি ফ্রি-কিক দিলে আর্জেন্টিনার এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার বাঁ পায়ে নিখুঁত শট নিয়েছেন। সামনে জর্ডানের মানব দেয়ালের পাশের ফাঁকা জায়গায় গোলবার ঘেঁষে নেওয়া শটটি যেন ঠেকানোরও চেষ্টা করলেন না জর্ডান গোলরক্ষক। বিশ্বকাপে নিজের গোল পেলেন লো সেলসো।
৩০ মিনিটের মাথায় নিকোলাস তালিয়াফিকোর লো ক্রসে বল পেয়ে লাউতারো মার্টিনেজ শট নিলে ঠেকিয়ে দেন জর্ডান গোলরক্ষক ইয়াজিদ আবু লায়লা। এরপর ফিরতি বলে হেড দেন হুলিয়ান আলভারেজ। কিন্তু বল ক্লিয়ারের চেষ্টায় তাকে বুট দিয়ে আঘাত করেন এহসান হাদ্দাদ। অথচ আলভারেজের হেডটিও হাত ছুঁয়ে দারুণভাবে বারের উপর দিয়ে পাঠিয়ে দেন জর্ডান গোলরক্ষক। কিন্তু তার অনবদ্য দুই সেভই ভেস্তে গেল সতীর্থের ফাউলে। স্পটকিকে চলতি আসরে নিজের প্রথম গোল করতে ভুল হয়নি লাউতারোর।
এএইচএস

