২০২৬ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা উভয়কেই হারানোর নজির আছে প্যারাগুয়ের। ১৬ বছর বছর পর এবার তারা বিশ্বকাপে ফিরে শেষ ৩২–এ উঠেছে। যেখানে তাদের সামনে টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট দল জার্মানি। তাদের বিপক্ষে আজ (সোমবার) দিবাগত রাত আড়াইটায় নামার আগে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচের প্রেরণা নিচ্ছেন প্যারাগুয়ে কোচ।
ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্যারাগুয়ে কোচ গুস্তাভো আলফারো বলেন, ‘আমরা আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলেছি, ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলেছি। তারা জার্মানির মতোই, এমনকি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে আরও বড় নামও হতে পারে। আমরা তাদের বিপক্ষে খেলেছি, কঠিন সময় গেলেও আমরা জয় পেয়েছি।’
২০১০ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে ফিরেছে প্যারাগুয়ে। সেই আসরে তারা কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে আসরের চ্যাম্পিয়ন স্পেনের কাছে অল্পের জন্য হেরে বিদায় নেয়। তবে আলফারো ২০২৪ সালের আগস্টে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্যারাগুয়ের বাছাইপর্বের চিত্র বদলে দেন। তার অধীনে দলটি দক্ষিণ আমেরিকার শক্তিশালী দুই দল আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলকে হারায়।
তবে বিশ্বকাপে প্যারাগুয়ের শুরুটা হয়েছিল হতাশাজনকভাবে। আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তারা ৪-১ গোলে হেরে যায়। এরপর ১০ জন নিয়ে খেলেও তুরস্ককে ১-০ গোলে হারায় এবং অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে। ফলে কোনোমতে প্রথম নকআউট পর্বে জায়গা করে নেয় প্যারাগুয়ে। তারা জার্মানির বিপক্ষে মিডফিল্ডার দিয়েগো গোমেজকে পাবে না। গ্রুপ পর্বে দুটি হলুদ কার্ড পাওয়ায় তিনি নিষিদ্ধ। এ ছাড়া সেন্টারব্যাক ওমর আলদেরেতে চোটের কারণে অনিশ্চিত বলে গণমাধ্যমের খবর।
তবে দলের অন্যতম সৃজনশীল খেলোয়াড় মিগেল আলমিরন ফিরছেন। তুরস্কের বিপক্ষে জয়ের ম্যাচে মুখ ঢেকে সংঘর্ষে জড়িয়ে লাল কার্ড পাওয়ার পর এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়েছেন তিনি। নকআউটে নামার আগে প্যারাগুয়ের অধিনায়ক গুস্তাভো গোমেজও বলেন, বিশ্বকাপে পৌঁছানোর প্রক্রিয়ায় দক্ষিণ আমেরিকার বড় দলগুলোর বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা তাদের অনেক সাহায্য করেছে।
তিনি বলেন, ‘বাছাইপর্বে আমরা ব্রাজিল, উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা, ইকুয়েডর, কলম্বিয়ার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়েছি। আমরা অনেক চাপের পরিস্থিতির মুখে পড়েছি এবং সেগুলো কাটিয়ে উঠি।’
এএইচএস

