World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

শেষ মিনিটের জয়ে ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের বাধভাঙা আনন্দ

শেষ মিনিটের জয়ে ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের বাধভাঙা আনন্দ

রেফারির শেষ বাঁশি। ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের উল্লাস। বয়স ভুলে একে অন্যকে জড়িয়ে ধরছেন, আবার কেউ আনন্দে কাঁদলেনও। খেলা যখন অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর অপেক্ষায়, ঠিক তখন গোল করে ম্যাচ জেতার কারণে আনন্দের মাত্রা ছিল তীব্র। 

ব্রাজিলিয়ানদের কাছে ফুটবল ধর্মের মতো। জাপানকে হারিয়ে প্রি কোয়ার্টার নিশ্চিত হওয়া সমর্থকরা হেক্সার স্বপ্ন দেখছেন। তাদের একজন এনরিকা বললেন, ‘এই বিশ্বকাপে প্রতি ম্যাচে ধারাবাহিক উন্নতি করছি। পরের চার ম্যাচ জিতলেই আমাদের হেক্সা হবে।’ ব্রাজিলের সাও পাওলোতে বেড়ে ওঠা এই নারী সমর্থক আমেরিকার কানিকটিকাটে বসবাস করছেন। 

মধ্য বয়সী ব্রাজিলের আরেক সমর্থক এন্ড্রু আজকের জয়ই উদযাপন করতে চান, ‘খুব কষ্ট হয়েছে জিততে। জাপান বেশ ভালো খেলেছে। আমরা বল পজেশন ও আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও গোলের জন্য অপেক্ষা করেছি। অতিরিক্ত সময়ের আগে খেলা শেষ হওয়ায় স্বস্তি।’

সাম্প্রতিক সময়ে ব্রাজিল কখনো কোয়ার্টার ফাইনালের আগে বিদায় নেয়নি। আবার ২০০২ সালের পর নকআউট পর্বে পিছিয়ে পড়ে কখনো জেতেনি। আজ জাপানের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ার নানা শঙ্কা ভর করছিল।

নিউইয়র্কে এদিন ছিল বেশ ব্যস্ত। দুপুর একটায় কর্মব্যস্ত সময় থাকলেও ব্রাজিলের অসংখ্য সমর্থক ঠিকই সময় বের করে ফ্যান জোনে হাজির হন। জাপানের বিপক্ষে রাউন্ড অব ৩২ ম্যাচটি ক্ষণে ক্ষণে রং বদলেছে।

ম্যাচের ২৯ মিনিটে সানোর গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ব্রাজিল সমর্থকরা হতাশ হয়েছিল। কাসমিরোর গোলের পর চাঙা হন ব্রাজিলিয়ানরা। ব্রাজিল, ব্রাজিল ধ্বনিতে মুখরিত ছিল এডিডাসের হোম অব সকার। পোস্টে লেগে বল ফেরত আসা,বারবার আক্রমণের পরও গোল না হওয়ায় আবার শঙ্কা ভর করছিল ব্রাজিল সমর্থকদের। ইনজুরি সময়ে গোল হওয়ায় জয়ের স্বস্তি পান ব্রাজিল সমর্থকরা। 

ব্রাজিলের পরবর্তী ম্যাচ বাংলাদেশ সময় ৬ জুলাই নিউইয়র্কে। ব্রাজিল নিউইয়র্কে ক্যাম্প করছে। জাপানকে হারানোয় ব্রাজিল নিউইয়র্কে আবার ম্যাচ খেলবে বলে এই শহরের ব্রাজিলিয়ান সমর্থকরা বেশ খুশি, ‘আমাদের শহরে ব্রাজিলের আরেকটি ম্যাচ হবে। আশা করি এই ম্যাচ জিতে কোয়ার্টারে যাবে।’

ব্রাজিলের প্রি কোয়ার্টারে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ আইভরিকোস্ট কিংবা নরওয়ে। এই দুই দলের মধ্যকার বিজয়ী দল নিউজার্সি স্টেডিয়ামে ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে। 

এজেড/এফএইচএম