নেইমার তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বেশি ৯ গোল করেছেন জাপানের বিপক্ষে। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে শেষ দিকে নেমেছিলেন তিনি। বেশ সাবলীল পারফরম্যান্সের কারণে শেষ ৩২ এ জাপানের বিপক্ষে তাকে শুরু থেকেই পাওয়ার আশা ছিল। কিন্তু বেঞ্চেই রাখা হয়েছিল তাকে। এমনকি পুরো ম্যাচে চারটি পরিবর্তন আনলেও ছিল না নেইমারের নাম। কেন ব্রাজিলের শীর্ষ গোলদাতাকে নামানো হলো না, সেই প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবে শুনতে হলো কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে।
ব্রাজিলের কোচ উত্তর দিলেন। তার ব্যাখ্যা, দল যদি খেলায় সমতা ফেরাতে না পারত, তবে তিনি নেইমারকে মাঠে নামাতেন। পরবর্তীতে তিনি সান্তোস ফরোয়ার্ডকে অতিরিক্ত সময়ের জন্য বসিয়ে রাখেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার আর প্রয়োজন হয়নি, কারণ খেলার একদম শেষ মুহূর্তে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি গোল করে ব্রাজিলের জন্য বিশ্বকাপের শেষ ১৬ নিশ্চিত করেন।
আনচেলত্তি বলেন, ‘আমি অতিরিক্ত সময়ে নেইমারকে নামানোর অপেক্ষায় ছিলাম। আমি ওর সাথে কথাও বলেছিলাম। আমরা যদি সমতা ফেরাতে না পারতাম, তবে সে ৬০ বা ৬৫ মিনিটের মাথায় মাঠে নামত। কিন্তু আমরা গোল শোধ করার পর আমি দলের কৌশলে কোনো পরিবর্তন আনতে চাইনি, কারণ ততক্ষণে ম্যাচটি আমাদের নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছিল।’

কোচ জানান, কাসেমিরো ও লুকাস পাকেতার শারীরিক অবস্থা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। এজন্য আগামীকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এরপর তিনি ব্রাজিল দলের প্রশংসা করেন, ‘আমাদের বেঞ্চে ও মাঠে প্রচুর বিকল্প রয়েছে। খেলোয়াড়রা ব্যক্তিগতভাবে ভালো করার পাশাপাশি দলগতভাবেও দারুণ কাজ করছে, এটা খুবই ইতিবাচক।’
৯০ মিনিটে চোটের লক্ষণ নিয়ে ফ্যাবিনহোর বদলি হয়ে মাঠ ছাড়েন কাসেমিরো। ম্যাচ শেষে তিনি বললেন, ‘আমি ঠিক আছি, আমার অ্যাডাক্টর পেশিতে একটু ব্যথা ছিল। পেশিতে টান, গুরুতর কিছু না।’
কষ্টার্জিত এই জয়কে মূল্যায়ন করে আনচেলত্তি বলেন, ‘এটি অত্যন্ত কঠিন একটি ম্যাচ ছিল। জাপান মোটেও সহজ প্রতিপক্ষ নয়, তারা বেশ সুসংগঠিত এবং মাঠে প্রচুর শক্তি নিয়ে খেলে। তবে দিনশেষে জয়টা আমাদের প্রাপ্য ছিল এবং এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
এফএইচএম

