বিশ্বকাপের নকআউটের ম্যাচে ব্রাজিলের বিপক্ষে প্রথমার্ধে এগিয়ে গিয়েছিল জাপান। যদিও দ্বিতীয়ার্ধে লাতিন পরাশক্তিদের আর আটকে রাখতে পারেনি এশিয়ার দেশটি। কাসেমিরোর গোলে ব্রাজিল সমতায় ফেরার পর শেষ মুহূর্তে দলের জয়সূচক গোলটি করেন বদলি হিসেবে নামা মার্তিনেল্লি।
পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের কাছে ২-১ গোলে হেরে জাপানের স্বপ্নযাত্রা শেষ হয়েছে। ম্যাচ শেষে ইতিবাচক মনোভাবই দেখালেন জাপানের কোচ হাজিমে মোরিয়াসু। এই কোচের মতে, শেষ পর্যন্ত ম্যাচ হারলেও ব্রাজিলের সঙ্গে দূরত্ব কমিয়ে আনছে জাপান।
তিনি বলেন, ‘ব্রাজিলের সঙ্গে আমাদের দূরত্ব কমে আসছে। তারা বিশ্বের সেরা দলগুলোর একটি। আমরা অবশ্যই সেই পর্যায়ের কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছি।’
এ নিয়ে অষ্টম বিশ্বকাপ খেলল জাপান। তবে কোনো আসরেই নকআউটে জয় পায়নি দলটি। অন্যদিকে, ২০০২ বিশ্বকাপের পর কোনো আসরে নকআউটের ম্যাচে শুরুতে পিছিয়ে গিয়ে আর জিততে পারেনি ব্রাজিল। তবে এদিন সেই অস্বস্তির রেকর্ড ভেঙে জয়ে ফিরেছে সেলেসাওরা।

হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের ২৯তম মিনিটে কাইশু সানোর গোলে এগিয়ে যায় জাপান। দ্বিতীয়ার্ধে ৫৬ মিনিটে হেডে সমতা ফেরান কাসেমিরো। অতিরিক্ত সময়ের একেবারে শেষ দিকে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির গোলে জয় নিশ্চিত করে ব্রাজিল।
ম্যাচ শেষে খেলোয়াড়দেরও হতাশা ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছেন জাপান কোচ। তিনি বলছিলেন, “বিশ্বকাপ জেতাই ছিল আমাদের স্বপ্ন, আমাদের লক্ষ্য। সেটা আমরা অর্জন করতে পারিনি। প্রধান কোচ হিসেবে আমি খেলোয়াড়দের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছি। তাদের সেই পর্যায়ে নিয়ে যেতে আমি যথেষ্ট ভালো হতে পারিনি।”
এর আগে ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচের আগে কার্লো আনচেলত্তিকে সমীহ করলেও সেরা দল হিসেবে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে রেখেছিলেন জাপানের কোচ হাজিমে মোরিয়াসু। তিনি বলছিলেন, বিশ্বকাপের সবচেয়ে সেরা দল হলো ব্রাজিলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা।
এফআই

