বিশ্বকাপের শেষ ৩২–এ দৌড় থামল গ্রুপপর্বে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ১০ গোল করা নেদারল্যান্ডসের। ১২০ মিনিটের ম্যাচে ১-১ সমতায় শেষ করার পর মরক্কোর কাছে তারা টাইব্রেকারে হেরেছে। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ সংখ্যকবার টাইব্রেকারে হেরে বিদায়ের অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়ল ডাচরা।
এ নিয়ে সর্বশেষ তিন বিশ্বকাপেই পেনাল্টি শ্যুটআউটে থেমেছে নেদারল্যান্ডের প্রথম বিশ্বসেরা হওয়ার অভিযান। ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল এবং ২০২২ আসরের কোয়ার্টার ফাইনালে টাইব্রেকারে তাদের বিদায়ঘণ্টা বাজিয়েছিল আর্জেন্টিনা। মাঝে ২০১৮ বিশ্বকাপে অবশ্য নেদারল্যান্ডস কোয়ালিফাই করতে পারেনি।
এর আগে ১৯৯৮ বিশ্বকাপেও সেমিফাইনালে একই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয় ডাচ শিবির। তাদের পেনাল্টি শ্যুটআউটে হারায় ব্রাজিল। সবমিলিয়ে সর্বোচ্চ চারবার টাইব্রেকারে হেরে নেদারল্যান্ডস বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত করল। এই রেকর্ডটি এতদিন এককভাবে দখলে ছিল স্পেনের। তারাও ৪ বার বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় পেনাল্টি শ্যুটআউটে হেরে।
২০১০ আসরের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্প্যানিশরা গত বিশ্বকাপে শেষ ষোলোতে মরক্কোর কাছে হেরেছিল টাইব্রেকারে। এ ছাড়া ১৯৮৬ সালে বেলজিয়াম, ২০০২ সালে দক্ষিণ কোরিয়া এবং ২০১৮ বিশ্বকাপে রাশিয়ার কাছে পেনাল্টি শ্যুটআউটে তাদের হৃদয় ভেঙেছিল। ২০০২ বিশ্বকাপে বিদায়ের আগের ম্যাচেই অবশ্য স্পেন আয়ারল্যান্ডকে টাইব্রেকারে হারিয়ে উঠেছিল কোয়ার্টার ফাইনালে।
অন্যদিকে, বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত টাইব্রেকারে সবচেয়ে বেশি জয় আর্জেন্টিনার। ছয়টি পেনাল্টি শ্যুটআউট জয়ের বিপরীতে মাত্র একটিতে হেরেছে। ক্রোয়েশিয়া ও জার্মানি সমান চারটি করে পেনাল্টি শ্যুটআউট জিতেছে। এ দুটি দল কোনো টাইব্রেকারে হারেনি। তবে ব্রাজিল তিনটি শুটআউট জয়ের বিপরীতে দুটিতে হেরেছে। ফ্রান্স টাইব্রেকার জিতেছে দু’বার, হেরেছে তিনবার। ইংল্যান্ড ও স্পেন একবার করে টাইব্রেকার জিতেছে।
এএইচএস

