আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ৮৬তম মিনিটে আর্লিং হালান্ড ঠিক সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় হাজির হয়ে যান। অস্কার ববের ডিফেন্স চেরা পাসের পর প্যাট্রিক বার্গের কাট-ব্যাক থেকে একদম কাছ থেকে আলতো টোকায় বল জালে জড়ান তিনি। নরওয়ের হয়ে এটি ছিল তার ৫৩ ম্যাচে ৬০তম গোল এবং এই বিশ্বকাপের পঞ্চম গোল।
আইভরি কোস্ট সমতা ফেরানোর পর হালান্ডের গোলে ২-১ ব্যবধানে শেষ ৩২ এর ম্যাচে জিতেছে নরওয়ে। গোল্ডেন বুটের দৌড়ে লিওনেল মেসির ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছেন তিনি। তিন ম্যাচে ৬ গোল করে সবার উপরে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। ফ্রান্সের বিপক্ষে খেললে হয়তো তার পাশেই থাকতেন নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার। ব্রাজিলের বিপক্ষে যে হালান্ড খেলবেন, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।
ক্যারিয়ারের সেরা ফর্মে থেকে হালান্ড ব্রাজিলের মুখোমুখি হচ্ছেন। নিজের শেষ ১৪ ম্যাচের প্রত্যেকটিতে টানা গোল করেছেন তিনি। সেই ২০২৪ সালের ১৪ নভেম্বর স্লোভেনিয়ার বিপক্ষে উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচ থেকে শুরু। জাতীয় দলের জার্সিতে নামলেই গোল পেয়েছেন তিনি। এর মধ্যে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে মলদোভার বিপক্ষে নরওয়ের ১১ গোলের মধ্যে পাঁচটিই ছিল তার। সব মিলিয়ে ১৪ ম্যাচে ২৬ গোল হালান্ডের। মোট কথা, দুর্দান্ত ফর্মে থাকা হালান্ডকে থামাতে ব্রাজিলের রক্ষণভাগকে বিশেষ কিছুই করতে হবে।
নরওয়ের কোচ স্তালে সোলবাকেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘সে বিশ্বের সেরা গোলস্কোরার, এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আজকে খেলায় তাকে খুব একটা সক্রিয় দেখা যায়নি, তবে প্রথমার্ধে সে একটি বড় সুযোগ পেয়েছিল এবং পরে ম্যাচে গোলটি করে। সে আসলেই অসাধারণ। যখন দলে তার মতো একজন খেলোয়াড় থাকে, তখন সে দলের মধ্যে একটি শান্ত ভাব ও দৃঢ়তা নিয়ে আসে।’
হালান্ডকে নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমি জানি নিজের দেশের হয়ে খেলতে পেরে সে গর্ববোধ করে, তবে সে এটাও জানে যে এটি এমন একটি দল যারা একসঙ্গে কাজ করে এবং তার সতীর্থদের কাছ থেকে সহায়তার প্রয়োজন। নরওয়ের মতো একটি ছোট দেশের হয়ে বিশ্বকাপে তিন ম্যাচে পাঁচ গোল করা সত্যি চমৎকার, তাই সব কৃতিত্ব তারই। এবং না, আমি তাকে অন্য কারো সাথে অদলবদল করব না।’
এফএইচএম

