বেলজিয়ামের ইউরি টিয়েলসম্যান সেনেগালের ডিবক্সের মধ্যে একটি ক্রস নিয়ন্ত্রণে নিতে যান। কিন্তু সেনেগালের লামিনে কামারার চ্যালেঞ্জে মাটিতে পড়ে যান। রেফারি সাইদ মার্টিনেজ সঙ্গে সঙ্গে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি। বেলজিয়ামের পেনাল্টির আবেদনও উপেক্ষা করেন।
কিন্তু বেলজিয়ামের পক্ষে সম্ভাব্য পেনাল্টি কিকের জন্য ভিএআর অনফিল্ড রিভিউয়ের সুপারিশ করে। বল না খেলেই বেলজিয়ামের মিডফিল্ডারকে কামারা লাথি মেরেছিলেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত নিতে সময় নেয় ভিএআর। পরে পিচসাইড মনিটরে রিপ্লে দেখতে বলেন রেফারিকে। পিচসাইড স্ক্রিনে দীর্ঘ সময় ওই মুহূর্তের রিপ্লে দেখার পর রেফারি একে ফাউল হিসেবে সম্মতি দেন এবং পেনাল্টি দেন। পুরো রিভিউ প্রক্রিয়া শেষ হতে সময় লাগে সাত মিনিট।
এই সিদ্ধান্তটি সেনেগালের জন্য অত্যন্ত কঠোর মনে হতে পারে। কারণ টিয়েলম্যানসের পায়ের পেছনের অংশে কামারার স্পর্শটি নগণ্যই মনে হয়েছিল এবং তা ছিলও। তবে একজন ডিফেন্ডার হিসেবে এই ধরনের পরিস্থিতিতে চ্যালেঞ্জ করার সময় যদি কেউ বল না খেলে আক্রমণকারীর পায়ের পেছনে লাথি মারেন, তাহলে ফাউলের জন্য শাস্তি পাওয়ার ঝুঁকি থাকে এবং সেটাই হয়েছে।
রেফারি যখন স্ক্রিনে দেখছিলেন তখন পেনাল্টি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া তার জন্য কঠিন ছিল। কারণ ভিএআরে স্পষ্ট দেখা গেছে বল না খেলে কামারা টিয়েলম্যানসের পায়ে লাথি মেরেছেন। অবশ্য এবার ভিএআরের যে উচ্চমান, তাতে করে সিদ্ধান্ত সেনেগালের পক্ষেও যেতে পারতো। তাছাড়া প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের পায়ে লাথি মারার সময় কামারা ছুটে আসা বলের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। শেষ পর্যন্ত পেনাল্টির সুযোগের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করেছে বেলজিয়াম। ১২৫তম মিনিটে টিয়েলম্যানস পেনাল্টি থেকে গোল করে নাটকীয় ম্যাচ জেতান।
এফএইচএম

