৫৫ মিনিটে স্কোরলাইন ১-১ হয়েছিল, ৯০ মিনিট সময়ের বাকি অংশে মিসর-অস্ট্রেলিয়ার কেউই গোল করতে পারেনি। ফলে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত ১২০ মিনিটে। সেখানেও উভয়পক্ষ জালের দেখা পায়নি। ফলে ফলাফল পাওয়ার আশায় মিসর-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচও গড়াচ্ছে টাইব্রেকারে। এর আগমুহূর্তে অস্ট্রেলিয়া প্যাট্রিক বিচের বদলে অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ম্যাথু রায়ানকে মাঠে নামিয়েছে।
টেক্সাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে চলমান ম্যাচের ১৩ মিনিটে মিসর দলীয় আক্রমণ থেকেই সাফল্য পায়। মোহামেদ সালাহ’র বাড়ানো পাস ধরে শট নেন ইমান আশুর। অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে সেটি ফিরে আসলে আশুর নিখুঁত হেডে জালকে ঠিকানা বানান। সেই গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় মিসর।
দ্বিতীয়ার্ধে লিড ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পেয়েছিলেন মিসরীয় তারকা ওমর মারমুশ। কিন্তু তিনি সকারুজ গোলরক্ষককে একা পেয়ে বল বাইরে মেরে বসেন। ৫৫ মিনিটে আরও বড় ভুল করে লিড হারায় মিসর। অস্ট্রেলিয়ার নেওয়া ফ্রি-কিক ক্লিয়ার করতে গিয়ে মোহাম্মদ হানি আত্মঘাতী গোলে প্রতিপক্ষকে সমতায় ফেরান।
আবারও লিড নেওয়ার প্রচেষ্টায় মিসর মরিয়া হয়ে ওঠে। একের পর আক্রমণেও অবশ্য তাদের ফিনিশিং দেওয়া হয়নি। অস্ট্রেলিয়া গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ যোগ করা সময়ে মিসরের দারুণ একটি প্রচেষ্টা অবিশ্বাস্য দক্ষতায় বারের উপরে ঠেলে দিয়ে স্কোরলাইন ১-১ অক্ষুণ্ন রাখলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
এএইচএস

