World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

ফিফার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত দামে বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রির অভিযোগ

ফিফার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত দামে বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রির অভিযোগ

চলমান বিশ্বকাপের অনেক আগে থেকেই টিকিটের অতিরিক্ত দাম নির্ধারণ নিয়ে তুমুল সমালোচনার মুখে পড়ে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফা। ‘ডায়নামিক প্রাইসিং’ পদ্ধতিতে একই ভেন্যুর ম্যাচভেদে একেক দামে বিক্রি হয় টিকিট। এবার পুনরায় বিক্রির (রিসেল) জন্য প্রকাশিত তালিকায়ও ফিফার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

আগামী সোমবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে মেক্সিকোর বিপক্ষে লড়বে ইংল্যান্ড। সেই ম্যাচের জন্য ইংল্যান্ড সমর্থকদের কেনা টিকিট ফিফার অফিসিয়াল রিসেল পোর্টালে কয়েক হাজার পাউন্ড মূল্যে পুনরায় বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় সমর্থক সংগঠনগুলোর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে ফিফা।

ইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ) নিশ্চিত করেছে, এসব টিকিট মূলত ইংল্যান্ড সাপোর্টাস ট্রাভেল ক্লাবের সদস্যরা গত ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত ব্যালটের মাধ্যমে সংগ্রহ করেছিলেন। মেক্সিকোর আজতেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠেয় এই ম্যাচের টিকিট বুধবার থেকে পুনরায় বিক্রির জন্য যোগ্য হয়, যখন ডিআর কঙ্গোকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইংল্যান্ড শেষ ষোলো নিশ্চিত করে।

এ ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ফুটবলার সাপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন। বিবিসিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, ‘ফিফা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন একটি অনলাইন বিনিময় (এক্সচেঞ্জ) ব্যবস্থা তৈরি করেছে, যেখানে টিকিট অত্যন্ত বাড়তি দামে বিক্রির সুযোগ রয়েছে। একইসঙ্গে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের কাছ থেকেই ১৫ শতাংশ করে অর্থ নিচ্ছে।’

Image

তাদের দাবি– ‘এই বিশ্বকাপে সমর্থকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের জন্য আমরা সবসময়ই ফিফার সমালোচনা করেছি। তবে যেসব সমর্থক নিজেরাই অযৌক্তিক দামে টিকিট বিক্রির চেষ্টা করছেন, তাদের কর্মকাণ্ডও কোনোভাবেই সমর্থন করা যায় না।’

এর আগে এক বিবৃতিতে নিজেদের টিকিট বিক্রয় পদ্ধতির পক্ষে ব্যাখ্যা দিয়েছিল ফিফা। যেখানে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থাটি জানায়, ‘ফিফার ভ্যারিয়েবল প্রাইসিং-ভিত্তিক টিকিট বিক্রয় ব্যবস্থা বিভিন্ন খেলা ও বিনোদন খাতের বর্তমান শিল্পপ্রবণতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বিক্রয় ও দর্শক উপস্থিতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাখতে এবং প্রতিটি ইভেন্টের ন্যায্য বাজারমূল্য নিশ্চিত করতে টিকিটের মূল্য পরিস্থিতি অনুযায়ী সমন্বয় করা হয়।’

এএইচএস