চলতি বিশ্বকাপের সবচেয়ে উত্তপ্ত ম্যাচ হয়ে গেল আজ রাতে। ফিলাডেলফিয়ায় শুধু তীব্র গরমই নয়, মাঠে খেলোয়াড়দের মেজাজও ছিল চড়া। ফ্রান্স তারকা কিলিয়ান এমবাপের অভিযোগ, প্যারাগুয়ের খেলোয়াড়রা তাকে ও তার সতীর্থদৈর ফাউল ও মারামারি করতে উসকানি দিয়েছেন।
ফিলাডেলফিয়ায় শেষ বাঁশি বাজার পর পর চোখে পড়ার মতো ঘটনা ঘটে। প্যারাগুয়ান গোলকিপার অরল্যান্ডো গিল সৌজন্যতা বিনিময়ের জন্য ডান হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু তার দিকে না তাকিয়েই জয় উদযাপন করেন এমবাপে। পেনাল্টি থেকে তার একমাত্র গোলে ম্যাচটি জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ফ্রান্স।
১-০ গোলে জিতে টানা চতুর্থবার শেষ আটে ফ্রান্স। কঠিন লড়াই করে জিততে হলো তাদের। প্রতিপক্ষের শারীরিক আগ্রাসন সামলে শেষ হাসি হেসেছেন এমবাপে। ম্যাচ শেষে প্যারাগুয়ের খেলার কৌশলের সমালোচনা করেছেন তিনি।

এমবাপে বলেন, ‘আমরা জানতাম কোন ধরনের ম্যাচ হতে যাচ্ছে। আমরাও আমাদের হাত নোংরা করতে পারি। আমরা জানি কীভাবে সেটা করতে হয়। আমরা জানি কীভাবে কুৎসিত ফুটবল খেলতে হয়। মনে হয় তারা ভেবেছিল আমরা টাক্সিডো (জমকালো পোশাক) পরে মাঠে হাজির হব, কিন্তু আমরা প্রস্তুত ছিলাম।’
ম্যাচে মোট ২৪টি ফাউল হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ১৩ বার ফাউল করেছে প্যারাগুয়ে। তবে তিনটি হলুদ কার্ডের সবগুলোই দেখতে হয়েছে ফ্রান্সকে। কোচ দিদিয়ের দেশম ম্যাচ শেষে বললেন, ‘এটা সহজ ছিল না। আমরা সুযোগগুলোর একটি নিতে পারলে ম্যাচ আরও বেশি স্বস্তিদায়ক হতো।’
তিনি বলে গেলেন, ‘প্যারাগুয়ে সব কৌশল ব্যবহার করেছে। এই ধরনের ফুটবল মানুষ উপভোগ করে না। কিন্তু আমরা মনোযোগ ধরে রেখেছিলাম। এটা সহজ ছিল না।’
এফএইচএম

