কিলিয়ান এমবাপের একমাত্র গোল। প্যারাগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স। আরেকটি ফাইনালে ওঠার হাতছানি তাদের সামনে। এজন্য আগে পার হতে হবে মরক্কো বাধা। আজেদিন ওনাহির জোড়া ও সুফিয়ান রাহিমির গোলে মরক্কো ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছে কানাডাকে। এই দুটি ম্যাচ কিছু রেকর্ড বা কীর্তি হয়েছে। সেগুলো দেখে নেওয়া যাক-
১৫০
কিলিয়ান এমবাপের পেনাল্টি গোলটি ছিল বিশ্বকাপে ফ্রান্সের ১৫০তম। ব্রাজিল, জার্মানি ও আর্জেন্টিনার পর চতুর্থ দেশ হিসেবে তারা এই মাইলফলক স্পর্শ করল।
৫
ফ্রান্স তাদের ইতিহাসে এই প্রথম বিশ্বকাপের মঞ্চে টানা ৫টি ম্যাচে জিতল।
২
দুটি ভিন্ন বিশ্বকাপে ৭ বা তার বেশি গোল করার কীর্তি আছে কেবল দুজন খেলোয়াড়ের। গতকাল লিওনেল মেসি এই রেকর্ড গড়েছিলেন। আজ এমবাপে তার পাশে নাম লেখালেন।
১১
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এমবাপে এখন পর্যন্ত ১১টি গোল করেছেন। ব্রাজিলের কিংবদন্তি রোনালদোর চেয়ে ৩টি বেশি।

১৯
বিশ্বকাপে এমবাপের মোট গোল সংখ্যা এখন ১৯টি। তিনি সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসির (২০টি গোল) চেয়ে মাত্র ১টি গোল পিছিয়ে আছেন।
৩+
তিনটি ভিন্ন বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে তিনটি বা তার বেশি গোল করা একমাত্র খেলোয়াড় এমবাপে। মাত্র তিনজন খেলোয়াড় দুটি ভিন্ন বিশ্বকাপে এই কীর্তি গড়েছিলেন। রোনালদো (১৯৯৮ ও ২০০২), গ্যারি লিনেকার (১৯৮৬ ও ১৯৯০) এবং ভাভা (১৯৫৮ ও ১৯৬২)।
৭
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সপ্তমবার এমবাপে কোনো ম্যাচের জয়সূচক গোল করলেন। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি জয়সূচক গোল করার রেকর্ডে তিনি এখন গ্রজেগর্জ লাতোর পাশে।
১০
ফ্রান্সের কোচ হিসেবে দিদিয়ে দেশম এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ১০টি ম্যাচে জয় পেয়েছেন। এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে যেকোনো কোচের জন্য সর্বোচ্চ।
৯৯
এই ম্যাচে প্যারাগুয়ে মাত্র ৯৯টি পাস সম্পন্ন করতে পেরেছে। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের ইতিহাসে যেকোনো দলের জন্য এটি সর্বনিম্ন। অবশ্য এই বিশ্বকাপের সর্বনিম্ন পাসের রেকর্ড নয় এটি। তুরস্কের বিপক্ষে ১-০ গোলে জেতা ম্যাচে প্যারাগুয়ে মাত্র ৯৬টি পাস সম্পন্ন করেছিল।

৫৪%
প্যারাগুয়ে তাদের ১৮৩টি পাসের চেষ্টা করেছিল। এর মধ্যে মাত্র ৫৪% সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছে। গত ৬০ বছরের মধ্যে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের ম্যাচে এটিই সর্বনিম্ন পাসিং অ্যাকুরেসির রেকর্ড।
কানাডা ০-৩ মরক্কো
১
প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে একাধিকবার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছানোর রেকর্ড গড়ল মরক্কো।
৪
ব্রাহিম দিয়াজ এই বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত ৪টি অ্যাসিস্ট। এর মাধ্যমে তিনি প্রথম আফ্রিকান খেলোয়াড় হিসেবে এক বিশ্বকাপে ৪ বা তার বেশি অ্যাসিস্ট করার কীর্তি গড়লেন। দিয়াজ এখন বিশ্বকাপে মরক্কোর পক্ষে সর্বকালের সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টকারী খেলোয়াড়।
৩
আজ্জেদিন ওনাহি মরক্কোর ইতিহাসে তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের একটি ম্যাচে একাধিক গোল করার রেকর্ড গড়লেন।
৪
ওনাহি চতুর্থ আফ্রিকান খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের ম্যাচে একাধিক গোল করলেন। এর আগে এই কীর্তি গড়েছিলেন ২০০২ সালে সেনেগালের হেনরি কামারা, ১৯৯০ সালে ক্যামেরুনের রজার মিলা এবং ১৯৩৪ সালে মিশরের আবদেল রহমান ফাওজি।

৫
এই ম্যাচে মরক্কো মাত্র ৫টি শট নিয়েছিল। গত ৬০ বছরের ইতিহাসে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের ম্যাচ জেতা কোনো দলের জন্য এটিই সবচেয়ে কম শট নেওয়ার রেকর্ড।
৪
মরক্কো তাদের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে মোট ৪টি ম্যাচ জিতেছে। এই সংখ্যাটি আফ্রিকার বাকি সব দলের যৌথ জয়ের সমান—ক্যামেরুন (১৯৯০), সেনেগাল (২০০২), ঘানা (২০১০) এবং মিশর (২০২২)। তারা প্রত্যেকে ১টি করে ম্যাচ জিতেছে।
এফএইচএম

