World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

কাঠগড়ায় আনচেলত্তি, ফিনিশিংয়ে দুর্বলতা; ব্রাজিলিয়ানদের প্রতিক্রিয়া

কাঠগড়ায় আনচেলত্তি, ফিনিশিংয়ে দুর্বলতা; ব্রাজিলিয়ানদের প্রতিক্রিয়া

মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের রাজ্যের ব্যস্ততা। কেউ নিউজ লিখেন, কেউ লাইভ করেন। নানাজন নানা কাজে ব্যস্ত। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দলের খেলা থাকলে সেই ব্যস্ততা বাড়ে বহুগুণে। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশিবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল বাদ পড়ে যাওয়ার পর মিডিয়া সেন্টারও খানিকটা শূন্যতা নেমে আসে যেন। 

ব্রাজিলের ম্যাচে দেশটির কয়েকশ’ সাংবাদিক থাকেন। মিডিয়া সেন্টারে কয়েক টেবিল তাদেরই দখলে থাকে। এক টেবিলে দেখা গেল অনেকে ল্যাপটপ সামনে রেখে নিশ্চুপ বসে আছেন। আবার কেউ এতটাই গোমরামুখে যেন কাজই করতে পারছেন না। 

ব্রাজিলিয়ান সাংবাদিক এন্ডারসন নরওয়ের বিপক্ষে হার নিয়ে বলেন, ‘ব্রাজিল সুসংগঠিত ফুটবল খেলতে পারেনি। বিশেষ করে ফিনিশিংয়ে বড়ই অভাব।’ আনচেলত্তির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘অনেকে তাকে বড় কোচ বলে। ক্লাবে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করে ভালো ভালো খেলোয়াড় আনে। সেই দলকে চ্যাম্পিয়ন করে৷ তারকাখচিত খেলোয়াড় ছাড়া সে তেমন কিছু করতে পারে না এটাই তার প্রমাণ। তিনি এই দলকে ভালোভাবে গোছাতে পারেননি।’

ব্রাজিলের আরেক সাংবাদিক এন্দ্রিলা নরওয়েকে কৃতিত্ব দিয়ে বলেন, ‘তারা কার্যকরী ফুটবল খেলেছে। ব্রাজিল বল পায়ে রেখেছে বেশি ও আক্রমণ করলেও প্রয়োজনীয় গোল করতে পারেনি। নরওয়ে সেটা করেছে দারুণভাবে।’

চার দশক ব্রাজিলের ফুটবল কাভার করছেন রদ্রিগেজ। তিনি ফুটবলারদের কোয়ালিটিকেই দায়ী করলেন, ‘আনচেলত্তি চেষ্টা করেছেন সাধ্যমতো। খেলোয়াড়দের কোয়ালিটি সেই মানের না হলে বিশ্বকাপে বেশিদূর যাওয়া যায় না।’

নরওয়ে বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনাল খেলছে। নরওয়ে সাংবাদিক ফোরল্যান এটিকে ঐতিহাসিক আখ্যায়িত করে বলেন, ‘নরওয়ে ফুটবল হালান্ডের কারণে ভিন্ন উচ্চতায়৷ নরওয়ে খুবই পরিকল্পিত ফুটবল খেলেছে। ব্রাজিলের ফিনিশিং সমস্যা প্রকট।’ আমেরিকার এক সাংবাদিকের দৃষ্টিতে, ‘ব্রাজিল পেনাল্টি মিস করেছে এবং প্রথম কয়েক মিনিট বল নিয়ন্ত্রণ রেখেও গোল আদায় করতে না পারায় মনোযোগ হারিয়েছে। নরওয়ে সামান্য সুযোগ সম্পূর্ন ব্যবহার করেছে।’

এজেড/