আর্জেন্টিনা ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ার মুখে ছিল। এর আগে বিশ্বকাপ ইতিহাসে যখনই তারা অন্তত দুই গোলে পিছিয়ে পড়েছে, হেরেছে। এমন পরিস্থিতিতে ১৩ বার পড়েছিল তারা।
কিন্তু লিওনেল মেসি ম্যাচের হাল ধরেন। বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের (৯টি) মালিক তিনি। নিজের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটিকে আরও বাড়িয়ে (২১টি) ম্যাচটিতে ২-২ সমতা আনেন।
তারপর এনজো ফার্নান্দেজ করেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের ৩০০০তম গোল। তাতে অবিশ্বাস্য জয় পেল আর্জেন্টিনা।
চার মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোলে সমতা ফেরায় তারা। হাইড্রেশন ব্রেকের পর আর্জেন্টিনা মুহুর্মুহু আক্রমণ শুরু করে। ৭৯ মিনিটে ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের ফাঁকি দিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়েন। তারপর ডান দিক থেকে বাড়ানো মেসির একটি ক্রসে চমৎকার হেডে বল জালে জড়ান। মিশরীয় গোলরক্ষক মোস্তফা তার বাঁ হাত দিয়ে বলটি ঠেকানোর চেষ্টা করেছিলেন। পোস্টের ভেতরের কোণ দিয়ে বল লাইনের ভেতরে ঢুকে পড়া আটকাতে পারেননি। মিশরীয় ডিফেন্ডাররা অফসাইডের জন্য আবেদন করলেও তা বৃথাই যায়। স্কোর ২-১ করে আর্জেন্টিনা।

মেসি ম্যাচের ৮৪ মিনিটে গোল করে সমতা ফেরান। এই বিশ্বকাপে এটি তার অষ্টম গোল। গোলরক্ষকের গায়ে লেগে বারের নিচের অংশে লেগে বলটি জোরালো শটে জালে জড়ায়। এর মাধ্যমে মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল করল আর্জেন্টিনা। মেসি এই নিয়ে টানা নয়টি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করলেন।
তারপর আর্জেন্টিনার একটি দ্রুত পাল্টা আক্রমণ। বক্সের মাঝখান থেকে চমৎকার হেডে গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ। লাউতারো মার্টিনেজের বাড়ানো ক্রসে দুর্দান্তভাবে মাথা ছুঁইয়ে বলটিকে কোনাকুনি জালে জড়ান তিনি। তার এই চমৎকার হেডের সুবাদে দল এক অবিশ্বাস্য জয়সূচক গোল পায়।
এফএইচএম

