ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে মরক্কো। তবে ম্যাচের ফলের পাশাপাশি আলোচনায় এসেছে কিলিয়ান এমবাপের প্রথম গোলের আগের ঘটনাটি। ফ্রান্সের এক ফুটবলারের হাতে বল লাগার পরেই গোল দিয়েছেন এই ফরাসি তারকা। তাতে গোলের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মরক্কোর কোচ মোহামেদ ওয়াহবি।
মরক্কো কোচের দাবি, এমবাপের গোলের আক্রমণ তৈরির আগে ফ্রান্সের একজন খেলোয়াড়ের হাতে বল লেগেছিল। কিন্তু সেই ঘটনাটি ভিএআরে পর্যালোচনা করা হয়নি। ওই সময় মরক্কোর কয়েকজন খেলোয়াড় হ্যান্ডবলের আবেদন জানিয়ে খেলা থামিয়ে দিয়েছিলেন বলেও জানান তিনি।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ওয়াহবি বলেন, ‘কয়েকজন খেলোয়াড় থেমে গিয়েছিল, কারণ সেখানে হ্যান্ডবল হয়েছিল। নিশ্চিতভাবেই হ্যান্ডবল ছিল।’
তবে সেটি ফাউলের মতো ছিল কি না, তা নিয়ে নিশ্চিত নন মরক্কো কোচ। তিনি বলেন, ‘আমি জানি না এটি বাঁশি বাজানোর মতো ছিল কি না। এ বিষয়ে আমার কোনো ধারণা নেই। শেষ পর্যন্ত এটি এমবাপের ব্যক্তিগত দক্ষতায় গোলটি হয়েছিল।’
— Robert (infra ) (@infraa_) July 9, 2026
কেন ভিএআর হস্তক্ষেপ করেনি?
মরক্কোর অভিযোগ থাকলেও রেফারিং বিশ্লেষকদের মতে, গোলটি বাতিল না করার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল। রেফারি বিশ্লেষক হুয়ান গুজমানের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ঘটনাটি ছিল অনিচ্ছাকৃত হ্যান্ডবল এবং এর পরপরই গোলের সুযোগ তৈরি হয়নি।
ঘটনার পর বলের দখলও বদলে যায়। ফলে এমবাপের গোলের আক্রমণকে আগের হ্যান্ডবল পরিস্থিতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি।
ফুটবলের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো হ্যান্ডবল সরাসরি গোল বা তাৎক্ষণিক গোলের সুযোগ তৈরি করলেই কেবল ভিএআর হস্তক্ষেপ করতে পারে। তাই মরক্কোর আপত্তি থাকলেও ম্যাচের ফল পরিবর্তনের মতো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। যদিও এমবাপের সেই গোলেই এগিয়ে যায় ফ্রান্স, পরে ওসমান দেম্বেলের গোলে জয় নিশ্চিত করে তারা।
আইএইচ

