চলতি বিশ্বকাপে দারুণ ছন্দে আছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। গত আসরের রানার্সআপ ফ্রান্সও অপ্রতিরোধ্য। একক নৈপুন্যে বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথমবার নরওয়েকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছেন আর্লিং হালান্ড। এদিকে ১৯৬৬ সালের পুনরাবৃত্তির আশায় বুক বেঁধেছে ইংল্যান্ড।
এরা সবাই দারুণ ছন্দে থাকলেও সবার থেকে নিজেদের আলাদা করে রেখেছিলো স্পেন। কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেওয়া সব দলগুলো গোল হজম করলেও নিজেদের গোলবার অক্ষত রেখেছিল ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়নরা।
তবে আর নিজেদের গোলবার অক্ষত রাখতে পারলেন না স্প্যানিশরা। কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে স্পেনের জালে বল পাঠান বেলজিয়ামের তারকা ফুটবলার চার্লস ডি কেটেলারা। ম্যাচের ৩০তম মিনিটে বেলজিয়ামের জালে বল পাঠান স্পেনের ফুটবলার ফাবিয়ান রুইজ। দশ মিনিট পরে বেলজিয়ামকে সমতায় ফেরান চার্লস ডি কেটেলারা।
উল্লেখ্য, গ্রুপ পর্ব থেকে নক-আউট পর্বের দুই ম্যাচে স্পেনের রক্ষণভাগ ছিল এক কথায় অনবদ্য। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে কেপ ভার্দের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র দিয়ে আসর শুরু করলেও পরের ম্যাচগুলোতে নিজেদের শক্তিমত্তা পুরোপুরি মেলে ধরেছে দিদিয়ের দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা।
সৌদি আরবের বিপক্ষে তারা জিতেছে ৪-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে। আর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে উরুগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়েছে স্প্যানিশরা। ৩ ম্যাচে ৫ গোল করার পাশাপাশি গোল হজমের খাতায় ‘শূন্য’ ধরে রাখে তারা।
রাউন্ড অব বত্রিশে স্পেন মুখোমুখি হয়েছিল ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে পা রাখা অস্ট্রিয়ার। এই ম্যাচে অস্ট্রিয়া রীতিমতো উড়িয়ে দেয় স্প্যানিশরা। আর শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালকে তারা হারিয়েছে ১-০ গোল ব্যবধানে।
গ্রুপ পর্ব থেকে রাউন্ড অব সিক্সটিনের খেলা শেষে প্রতিপক্ষের গোলবারে মোট নয়বার বল পাঠিয়েছেন লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। পক্ষান্তরে কোনো গোল হজম করতে হয়নি তাদের।
এমএমএম/

