লড়াইটা ১১ বনাম ১১ হলেও, মূল স্পটলাইটে থাকবেন হ্যারি কেইন ও আর্লিং হালান্ড। দুই দলের শক্তিমত্তায় তফাৎ থাকলেও, নিঃসন্দেহে তাদের দিকেই সবার নজরটা থাকবে। উভয়েই আবার দারুণ ফর্মে আছেন। তবে ছেড়ে কথা বলবে না কেউই। সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড-নরওয়ে।
শেষ আটে পৌঁছানোর পথটা ইংল্যান্ডের জন্য মোটেও সহজ ছিল না। তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হয়েছিল ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ৪-২ গোলের জয়ে। কিন্তু পরের ম্যাচেই ঘানার সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে ছন্দ হারায় ‘থ্রি লায়ন্সরা’। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে পানামাকে ২-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ ‘এল’-এর শীর্ষ দল হিসেবে নকআউট পর্বে ওঠে ইংল্যান্ড।
এরপর শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে কঙ্গোর বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও হ্যারি কেইনের শেষ মুহূর্তের নৈপুণ্যে ২-১ গোলের জয় তুলে নেয় তারা। শেষ ষোলোর ম্যাচে মেক্সিকোর বিপক্ষে নাটকীয়তা ছিল আরও বেশি। জ্যারেল কোয়ানসা লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার পরও দশজনের ইংল্যান্ড ৩-২ গোলের রুদ্ধশ্বাস জয় নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে। এবার তাদের সামনে অপেক্ষা করছে আরও কঠিন পরীক্ষা। কারণ প্রতিপক্ষের আক্রমণভাগে আছেন আর্লিং হালান্ড।
ইতিহাসে প্রথমবার কোনো বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে নরওয়ে। কিন্তু ব্রাজিলকে হারিয়ে শেষ আটে পৌঁছানোর পর আর তাদের সামর্থ্য নিয়ে সন্দেহ করার সুযোগ নেই। স্টালে সলবাকেনের দল পাঁচ ম্যাচে হেরেছে মাত্র একবার।
ইংল্যান্ডের একাদশ : জর্ডান পিকফোর্ড, এজরি কনসা, মার্ক গেহি, জন স্টোনস, নিকো ও'রাইলি, এলিয়ট অ্যান্ডারসন, ডেক্লান রাইস, ননি মাদুয়েকে, অ্যান্থনি গর্ডন, জুড বেলিংহাম, হ্যারি কেইন।
নরওয়ের একাদশ : ওরইয়ান নিলান্ড, ক্রিস্টোফার আয়ের, ডেভিড মোলার উলফ, টোরবিয়র্ন হেগেম, প্যাট্রিক বার্গ, সান্ডার বার্গ, মার্টিন ওডেগার্ড, আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ, আলেক্সান্দার সরলথ, জুলিয়ান রিয়ারসন, আর্লিং হালান্ড।

