একের পর এক আক্রমণে শুরু থেকেই নরওয়েকে চেপে ধরেছিল ইংল্যান্ড। তবে স্রোতের বিপরীতে ৩৬ মিনিটে থমাস টুখেলের দল গোল হজম করে বসে। বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের দারুণ এক শটে দূরের পোস্টে গোল করেছেন নরওয়ে ফরোয়ার্ড আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ। বিরতির আগে যোগ করা সময়ে সেই গোল শোধ করেছেন জুড বেলিংহ্যাম।
মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে খেলার শুরু থেকে ছন্দময় ইংল্যান্ড। অনবরত আক্রমণে উঠলেও অবশ্য সেসব কার্যকরী ছিল না। বিপরীতে নরওয়েও মাঝেমধ্যে হানা দিচ্ছিল প্রতিপক্ষের রক্ষণে। তবে আর্লিন হালান্ড ঝুঁকি তৈরি করতে পারছিলেন না ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপের রেকর্ড সর্বোচ্চ ১৮তম ম্যাচ খেলতে নামা গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডকে।
ধারার বিপরীতে নরওয়েই ম্যাচে প্রথম গোল করল। যদিও মাঝমাঠ পেরিয়ে ইংল্যান্ডের বক্সের কাছে বার্গে হ্যারি কেইনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বল দখলের পর ফাউলের দাবি উঠেছিল। তবে তার পা বলে আগে স্পর্শ করায় সম্ভবত সেটি রিভিউ করার প্রয়োজন মনে হয়নি রেফারির। বার্গে থেকে বল পেয়ে বক্সে ঢুকে পিকফোর্ডের মাথার ওপর দিয়ে দূরের পোস্ট ঘেঁষে জাল কাঁপান শেলদেরুপ।
৪৫ মিনিটে অতিরিক্ত ৪ মিনিট দেওয়া হয়। দ্বিতীয় মিনিটেই অ্যান্থনি গর্ডনের বাড়ানো বল নিয়ে কয়েকজনের বাধা এড়িয়ে বেলিংহ্যাম ডি-বক্সে ঢুকে নরওয়ে গোলরক্ষকের পায়ের নিচ দিয়ে বল জালে জড়ান। ১১ মিনিটের ব্যবধানে সমতায় ফেরে ইংল্যান্ড। এরপর বিরতির আগমুহূর্তে ইংল্যান্ডকে লিড এনে দিয়েছিলেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন, তবে সেটি অফসাইডে কাটা পড়ে।
এএইচএস

