প্রথমার্ধে ১–১ সমতায় ছিল ইংল্যান্ড ও নরওয়ের কোয়ার্টার ফাইনাল। ৫৭ মিনিটে ইংলিশদের স্তব্ধ করে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশটির ফের লিড পেয়েছিল। পরে দেখা যায় বল আসার আগমুহূর্তে অপ্রয়োজনীয় একটি ফাউল করে বসেন আর্লিং হালান্ড। ফলে ভিএআর দেখে তাদের গোল বাতিল করেন রেফারি। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষেও ১–১ স্কোরলাইন অক্ষুণ্ন থাকায় ম্যাচ গড়াল অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে।
প্রথমার্ধের ৩৬ মিনিটে নরওয়ে লিড নিলেও ১১ মিনিটের ব্যবধানেই সমতায় ফেরে ইংল্যান্ড। কর্নার থেকে উড়ে আসা বল আলেক্সান্ডার সরলথ শট নিলে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। ফিরতি বল পেয়ে টরবইয়র্ন হেগেম নিয়ন্ত্রণ হারালেও তড়িৎ গতিতে নেওয়া শটে বল জালে জড়ান। পরে ভিএআর মনিটর দেখে সেই গোল বাতিল করেন রেফারি।
ভিডিও রিপ্লেতে দেখা যায়, কর্নার থেকে বল আসার আগেই কোনো কারণ ছাড়াই মার্কিংয়ে রাখা ইংলিশ মিডফিল্ডার ইলিয়ট অ্যান্ডারসনকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেন হালান্ড। সেটি ফাউল ধরলেও আবার কর্নারের সুযোগ পায় নরওয়ে, তবে এবার আর বিপজ্জনক কিছু ঘটেনি। ৭৫ মিনিটে একইভাবে কর্নারে গোল পাওয়ার দ্বারপ্রান্তে ছিল নরওয়ে। পিকফোর্ড প্রথমবার বল ঠেলে দেওয়ার পর সান্দর বার্গে ফিরতি শট নিলে, বল ক্লিয়ার করে ইংলিশরা।
শেষ পর্যন্ত আর কেউই গোল না পাওয়ায় ১-১ সমতায় ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষ হয়। খেলার ভাগ্য নির্ধারণে এখন চলছে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের খেলা। সেখানেও স্কোরলাইনে কেউ লিড না পেলে ম্যাচ গড়াবে টাইব্রেকারে।
এর আগে মায়ামি রক গার্ডেন স্টেডিয়ামে ধারার বিপরীতে আক্রমণে গিয়ে ৩৬ মিনিটে নরওয়েই ম্যাচে প্রথম গোল করে। যদিও মাঝমাঠ পেরিয়ে ইংল্যান্ডের বক্সের কাছে বার্গে হ্যারি কেইনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বল দখলের পর ফাউলের দাবি উঠেছিল। তবে তার পা বলে আগে স্পর্শ করায় সম্ভবত সেটি রিভিউ করার প্রয়োজন মনে হয়নি রেফারির। বার্গে থেকে বল পেয়ে বক্সে ঢুকে পিকফোর্ডের মাথার ওপর দিয়ে দূরের পোস্ট ঘেঁষে জাল কাঁপান শেলদেরুপ।
৪৫ মিনিটের পর অতিরিক্ত ৪ মিনিট দেওয়া হয়। দ্বিতীয় মিনিটেই অ্যান্থনি গর্ডনের বাড়ানো বল নিয়ে কয়েকজনের বাধা এড়িয়ে বেলিংহ্যাম ডি-বক্সে ঢুকে নরওয়ে গোলরক্ষকের পায়ের নিচ দিয়ে বল জালে জড়ান। ১১ মিনিটের ব্যবধানে সমতায় ফেরে ইংল্যান্ড।
এএইচএস

