World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বাড়ি

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বাড়ি

যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটি যেন আক্ষরিক অর্থেই এক টুকরো আর্জেন্টিনায় রূপ নিয়েছে। রাতারাতি বদলে গেছে শহরটির চেহারা। ক্যাফে, রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট—সবখানেই এখন শোভা পাচ্ছে আকাশী-নীল পতাকা। খেলা দেখতে আসা আর্জেন্টাইনদের পাশাপাশি স্থানীয়রাও মজেছেন মেসি উন্মাদনায়। 

বিশ্বকাপে আর চার ম্যাচ বাকি। কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপে কানসাস ভেন্যুর ইতি ঘটেছে। এরপরও কানসাস সিটিতেই অবস্থান করছে আর্জেন্টিনা দল। বিশ্বকাপের শুরু থেকেই কানসাসকে নিজেদের বেস ক্যাম্প বানিয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। 

আর্জেন্টিনার বেস ক্যাম্পের অবস্থান মিশৌরী লেক ঘেষে। চারদিকে কাটাতারের বেড়ায় মোড়ানো। ছবি প্রতিবেদকের তোলা।

আর্জেন্টিনার বেস ক্যাম্পের অবস্থান মিশৌরী লেক ঘেষে। আর্জেন্টিনার হোটেলের সামনে মেসির বড় ছবি সাঁটানো। চারদিকে কাটাতারের বেড়া। ‘ভামোস আর্জেন্টিনা’ লেখা চার দিকের ব্যানারে। আর্জেন্টিনার আবহ পুরো প্রাঙ্গণে। 

আর্জেন্টিনার ক্যাম্পের সামনে ছোট্ট একটি ট্রাম স্টেশন। যাত্রীরা নিয়মিত যাতায়াত করে তবে মেসিদের ক্যাম্প উপলক্ষে সেই যাতায়াত আরও বেড়েছে। যদি এক পলক মেসিদের দেখা যায় কাছ থেকে। যদিও সেই সুযোগ খুব একটা নেই। কারণ বাইরে থেকে ভেতরের কিছু সেভাবে দেখা যায় না। মেসিরা ভেতর থেকে বাসে উঠে প্র্যাকটিস-স্টেডিয়ামে যান বলে সেভাবে সমর্থকদের মুখোমুখি পড়েন না। তবুও ভক্তদের যেন অপেক্ষা শেষ হয় না। 

এক পলক মেসিদের দেখার অপেক্ষায় হোটেলের বাইরে অপেক্ষায় আকাশী নীল সমর্থকরা। ছবি প্রতিবেদকের তোলা।

আর্জেন্টিনার সমর্থকরা দলের সঙ্গে সঙ্গেই থাকার চেষ্টা করেন। তাদের অনেকে কানসাসের হোটেল মোটেলে উঠেছেন। অনেকেই ক্যাম্পের সামনে পতাকা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। আবার অনেকে গান গেয়ে মাতিয়ে রাখেন চারপাশ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য পুলিশ এবং নিরাপত্তারক্ষীও কম নেই। 

আর্জেন্টিনার পাশাপাশি তাদের সেমিফাইনালের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ডের বেস ক্যাম্পও কানসাসে। ইংল্যান্ডের বেস ক্যাম্পের আশেপাশে তাদের সমর্থকদের ভিড় তুলনামূলক কম। আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল পড়ায় কানসাসে ক্যাম্প করা দল ফাইনালিস্ট হচ্ছে এটা নিশ্চিত। 

এজেড/এফআই