ফ্রান্স বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে উঠায় কপাল পুড়ল দুই ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেটেক্সিয়ে এবং ক্লেমো তুরপ্যাঁর। চলমান আসরে আর মাঠের রেফারি হিসেবে দেখা যাবে না তাদের। ফরাসি সংবাদমাধ্যম লে’কুইপের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং ফাইনালের মতো মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে কোনো ধরনের স্বার্থের সংঘাত (কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট) এড়াতে কঠোর নিয়ম করেছে ফিফা। নিয়ম অনুযায়ী, যে চার দেশ সেমিফাইনালে পা রেখেছে, সেই দেশের কোনো রেফারি আর টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলো পরিচালনা করতে পারবেন না।
এই নিয়মের কোপে পড়েছেন শেষ চারে ওঠা বাকি তিন দল—আর্জেন্টিনা, স্পেন ও ইংল্যান্ডের রেফারিরাও। তারাও ফ্রান্সের এই দুই রেফারির মতো টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলোর রেফারিং প্যানেল থেকে বাদ পড়েছেন।

তবে রেফারিদের জন্য মাঠের দুয়ার বন্ধ হলেও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) হিসেবে এখনো সুযোগ থাকছে ফরাসি জেরোম ব্রিজার্ডের। বিশ্বকাপের শুরু থেকেই তিনি নিখুঁতভাবে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গত ইউএনএফপি ট্রফিতে ফরাসি লিগ ওয়ানের সেরা রেফারি নির্বাচিত হওয়া ব্রিজার্ডকে তাই চাইলে বাকি ম্যাচগুলোতে ভিএআর কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে ফিফা।
প্রসঙ্গত, ফ্রাঁসোয়া লেটেক্সিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা বনাম মিশরের ম্যাচের দায়িত্বে ছিলেন। সেই ম্যাচে তার নেওয়া কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে তুমুল বিতর্ক হয়েছে। মিশরের কয়েকজন খেলোয়াড় এবং তাদের কোচ রেফারিং নিয়ে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এমনকি রেফারিকে নিয়ে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও তারা করেছিল। ফিফা অবশ্য মিশরের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছিল।
এফআই

