লামিন ইয়ামালকে ফাউল করলেন দিনিয়ে। ডিবক্সের মধ্যে স্পেন তারকাকে ফেলে দিয়ে পেনাল্টি পায় স্পেন। তারপর মিকেল ওয়ারসাবালের কিকে এগিয়ে গেল তারা। ফ্রান্স ২৩তম মিনিটে পিছিয়ে পড়ল।
নবম মিনিটে ওলমো ফ্রান্সের বক্সের সামনে ফ্রি কিক আদায় করেন। বায়েনা কিক নেন। কিন্তু রক্ষণদেয়ালে আঘাত করে বল।
ফ্রান্স দারুণ সুযোগ পেয়েছিল ১৪ মিনিটে। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে এমবাপে দ্রুত বল নিয়ে বক্সে ঢুকেছিলেন। তার সামনে কেবল পোরো ও গোলকিপার ছিলেন। কুবারসি ও লাপোর্তে তাদের পজিশনে থেকে এমবাপেকে রুখে দেন।
২০ মিনিটে স্পেন পেনাল্টি পায়। কুকুরেয়ার বক্সের মধ্যে বাড়ানো ক্রস দিনিয়ে বুক দিয়ে নিয়ন্ত্রণে নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এই লেফটব্যাক ব্যর্থ হন। তার সামনে ছিল ইয়ামাল। তাকে ফাউল করে বসেন। রেফারি দ্রুত পেনাল্টির বাঁশি বাজান। বিশ্বকাপ ইতিহাসে তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে পেনাল্টি আদায় করলেন ১৯ বছর ও ১ দিনের ইয়ামাল।
ওয়ারসাবাল নেন পেনাল্টি কিক। রিয়াল সোসিয়েদাদ তারকার শট ডানকোণা দিয়ে নেন। ফরাসি কিপার মাইগনান ঠিক দিকেই ডাইভ দিয়েছিলেন। কিন্তু বল তার নাগালে ছিল না। জালে জড়ায় বল।
ফ্রান্স একাদশ
মূল একাদশ: দিনিয়ে, মাগনিয়ঁ, রাবিও, দেম্বেলে, এমবাপে, উপামেকানো, কুন্দে, চুয়ামেনি, সালিবা, অলিসে, বারকোলা।
অতিরিক্ত খেলোয়াড়: ব্রিস সাম্বা, কান্তে, লুকাস, তুরাম, থিও, জঁ-ফিলিপ মাতেতা, কোনাতে, মাক্সেন্স লাক্রোয়া, চেরকি, মানু কোনে, গুস্তো, জাইরে-এমেরি, মাগনেস আকলিউশ, দুয়ে, রবিন রিসার।
স্পেন একাদশ
মূল একাদশ: লাপোর্তে, উনাই সিমন, কুকুরেয়া, ফ্যাবিয়ান রুইজ, ওয়ারজাবাল, অলমো, রদ্রি, অ্যালেক্স বায়েনা, পোরো, লামিনে ইয়ামাল, কুবারসি।
অতিরিক্ত খেলোয়াড়: গ্রিমালদো, ইগলেসিয়াস, লরেন্তে, ডেভিড রায়া, মেরিনো, ফেরান তোরেস, এরিক গার্সিয়া, মার্টিন জুবিমেন্দি, ইয়েরেমি, পেদ্রি, জোয়ান গার্সিয়া, নিকো উইলিয়ামস, মার্ক পুবিল, গাভি, ভিক্টর মুনিয়োজ।
এফএইচএম

