বিশ্বকাপের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। কাতার বিশ্বকাপের আর্জেন্টিনার সঙ্গে এই বিশ্বকাপের আর্জেন্টিনার যেন তফাৎ অনেক। বিশেষ করে আগ্রাসী মনোভাব একটু কমই দেখা যাচ্ছে আগের চেয়ে।
তিন নকআউট ম্যাচেই কাঠখড় পুড়িয়ে জিততে হয়েছে। তবে এসব নিয়ে চিন্তিত নন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। জয় পাওয়াকেই গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন তিনি, ‘কষ্ট না করে সেমিফাইনাল বা ফাইনালে পৌঁছানো খুবই কঠিন। এর জন্য প্রতিপক্ষের চেয়ে অনেক এগিয়ে থাকতে হয়। আগের বিশ্বকাপেও আমরা প্রতিপক্ষের চেয়ে এগিয়ে ছিলাম, তারপরও কষ্ট করতে হয়েছে। আমরা এমন পরিস্থিতিতে অভ্যস্ত। তবে বিশ্বকাপে এই পর্যায়ে পৌঁছাতে প্রতিকূলতা জয় করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।'
আর্জেন্টিনা এবারের বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত অপরাজিত। এরপরও আরও ভালো মানের ফুটবলের অপেক্ষায় আছেন কোচ। স্কালোনি বলেন, ‘আমাদের সেই ফুটবলে ফিরতে হবে, যেটা সবসময় আমাদের শক্তি ছিল। যারা এতদিন আমাদের সুন্দর ফুটবল খেলতে সাহায্য করেছে, আগামীকাল (আজ) তাদেরই দেখতে চাই। বাকি বিষয়গুলো নিয়ে আমি নিশ্চিত।’
আর্জেন্টিনার মতো ইংল্যান্ডও কোয়ার্টার ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে নরওয়েকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে। হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহ্যামকে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দুই খেলোয়াড় হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই ম্যাচটি আগের ম্যাচের চেয়ে ভিন্ন হবে। যেসব জায়গায় আমরা ভালো করতে পারিনি, সেগুলো উন্নত করার চেষ্টা করছি। আমরা ভালো অবস্থানে আছি এবং একটি দুর্দান্ত দলের মুখোমুখি হচ্ছি। বেলিংহ্যাম ও কেইন এমন দুই খেলোয়াড়, যাদের যে কোনো কোচই দলে পেতে চাইবেন। এতে কোনো সন্দেহ নেই। আমরা আমাদের নিজস্ব শক্তি দিয়ে তাদের নিষ্ক্রিয় করার চেষ্টা করব।’
বিশ্বকাপ জেতার দৌড়ে এখন তিন জন কোচ রয়েছেন। এদের মধ্যে টুখেলই বিদেশি কোচ। বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে নিজ দেশের বাইরে অন্য দেশের কোচ হয়ে জিততে পারেনি। সেই হিসেবে টুখেল এক ইতিহাসের সামনে। তবে এ নিয়ে কোনো ভাবনা নেই ইংলিশ কোচের, 'এটা নিয়ে আমি একেবারে ভাবছি না৷ সেমিফাইনাল ম্যাচের পরিকল্পনা করছি৷ কাল জিতলে ৬০ বছর পর বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলবে। যা অনেক বড় অর্জন। '
এজেড/এফআই

