ম্যাচ শুরু বিকেল তিনটায়। মিডিয়া ট্রিবিউনে যাওয়ার জন্য সাংবাদিকদের অনেকে আড়াইটায় লাইনে দাড়িয়েছেন। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এখনো প্রবেশ করতে পারেননি।
খেলা শুরু হওয়ার সময় অতি নিকট হওয়ার পরও সাংবাদিকরা প্রবেশ করতে না পারায় অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সাংবাদিকরা পেশাগত কাজে ল্যাপটপ, ক্যামেরা বহন করেন। সেগুলো নিরাপত্তার কারণে চেক করতে সময় নেয় অতিরিক্ত। এজন্য লাইন অনেক দীর্ঘ হয়।

ব্যাগ স্ক্যান করতেই মূলত বেশি সময়। তাই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অনেক সাংবাদিক মূল স্টেডিয়ামের বাইরে মিডিয়া সেন্টারে ব্যাগ রাখতে যান। সেখানেও বিপত্তি বাঁধে। লকার সব শেষ হওয়ায় ব্যাগ না রেখতে পেরে আবার ফিরে আসতে হয়েছে। যাদের ব্যাগ নেই তারা কিছুটা কম সময়ের মধ্যে ঢুকতে পেরেছেন।
আটলান্টায় সকালে মেঘলা আবহাওয়া থাকলেও দুপুর থেকে গরম। এই গরমে লাইনে আধ ঘণ্টার বেশি দাঁড়িয়ে থাকায় সাংবাদিকরা বিরক্ত। কারণ মিডিয়া গেটে সব সময় ৫-১০ মিনিটে প্রবেশাধিকার হয়ে যায়। আটলান্টা স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত সময় লাগছে অনেক।

এবারের বিশ্বকাপে খেলোয়াড় ও কোচদেরও অনেকে নিরাপত্তা তল্লাশির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। সাংবাদিকরাও এর বাইরে নন। বোস্টনে ম্যাচের দিন সাংবাদিকদের একপাশে লাইনে দাঁড় করিয়ে আরেক পাশে ব্যাগ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়। ব্যাগ কুকুর তল্লাশির পর একটি হলুদ ট্যাগ লাগায়। এরপর স্টেডিয়ামে প্রবেশের সুযোগ মেলে সাংবাদিকদের।
এজেড/এফএইচএম

