World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

মিশর নাকি ইংল্যান্ড, কোন ম্যাচকে এগিয়ে রাখছেন স্কালোনি!

মিশর নাকি ইংল্যান্ড, কোন ম্যাচকে এগিয়ে রাখছেন স্কালোনি!

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব সহজেই উতরে গেলেও আর্জেন্টিনাকে কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়েছে শেষ ষোলো থেকে। এমনকি সেমিফাইনালেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভীষণ চাপে পড়েছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু নকআউটে একের পর এক বুক চিতিয়ে লড়াই করার আত্মবিশ্বাস কাজে লাগিয়ে এবারও ঘুরে দাঁড়াল তারা। 

কেপ ভার্দের বিপক্ষে শেষ ষোলোতে লিড নিয়েও চাপে পড়েছিল আর্জেন্টিনা। দুইবার আফ্রিকানরা সমতা ফেরানোর ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গিয়ে ৩-২ ব্যবধানে জেতে তারা। তারপর মিশরের কাছে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েছিল আলবিসেলেস্তেরা। তারপর অবিস্মরণীয় প্রত্যাবর্তন। ৩-২ গোলে ম্যাচটি জিতে সুইজারল্যান্ড পরীক্ষায় ৩-১ গোলে তারা পাস করে। অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচটি জিতেছিল লিওনেল স্কালোনির দল। 

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে দ্বিতীয়ার্ধে পিছিয়ে পড়ার পর হাল ছাড়েনি আর্জেন্টিনা। একের পর এক আক্রমণে ইংরেজদের মনোবলে চিড় ধরায়। তারপর সাত মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল। তাতে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে। ব্রাজিল ও ইতালির পর তৃতীয় দল হিসেবে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে তারা স্পেনের মুখোমুখি হবে।

ফাইনালের আগে চলতি বিশ্বকাপে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে কোচ স্কালোনির কথা, ‘এই দলটা চাপের মুখে নিজেদের সেরা খেলাটা উপহার দেয়। আর যখন রক্তের গন্ধ পায়, তখনই তারা জয়ের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে। আজ যদি আমরা হেরেও যেতাম, তাও আমি খুশি থাকতাম। কারণ দল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তাদের সাহসিকতা ও লড়াকু মনোভাব ধরে রেখেছিল; আমাদের যা করার দরকার ছিল আমরা ঠিক তা-ই করেছি।’

মিশর ম্যাচের চেয়েও এই ম্যাচকে এগিয়ে রেখে তিনি যোগ করেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম মিশরের ম্যাচটাই সেরা ছিল। কিন্তু আজকের ম্যাচ সবকিছুকে ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিপক্ষ যেই হোক না কেন, এটা তো বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল! ইতিহাসে আগে কখনো এমন কিছু হয়েছে কি না আমি জানি না। ডিয়েগোর (ম্যারাডোনা) সেই দ্বিতীয় গোলটি যেমন ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে, ঠিক তেমনি খেলার মানের দিক থেকে আজকের ম্যাচটি ছিল অবিশ্বাস্য।’

এফএইচএম