World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

আর্জেন্টিনার অনুশীলন ভেন্যু, মুগ্ধকর আটলান্টা ইউনাইটেড

আর্জেন্টিনার অনুশীলন ভেন্যু, মুগ্ধকর আটলান্টা ইউনাইটেড

আর্জেন্টিনার বেস ক্যাম্প কানসাস। খেলার আগের দিনও কানসাসে অনুশীলন করে অন্য শহরে গেছে আর্জেন্টিনা। সেমিফাইনালে অবশ্য দুই দিন আগে আটলান্টা পৌঁছানোয় ম্যাচের আগের দিন আটলান্টায় অনুশীলন করতে হয়েছে মেসিদের। সবুজে মোড়া বিস্তীর্ণ মাঠ, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা আর নিখুঁত পরিকল্পনায় গড়ে ওঠা এসব অনুশীলন কমপ্লেক্স যেন যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল অবকাঠামোর এক অনন্য প্রতিচ্ছবি।

আর্জেন্টিনার অনুশীলন কাভার করতে সকাল সকাল আটলান্টা ইউনাইটেড ক্লাবে রওনা। ক্লাব চত্বরে ঢোকার আগেই সুন্দর গেট। নিরাপত্তা আনুষ্ঠানিকতা পেরিয়ে সবুজ গালিচায় প্রবেশ। আশেপাশে দুই দিকে একাধিক সবুজ মাঠ। এত সুন্দর ও মসৃণ সবুজ ঘাসের মাঠে তাকালেই চোখ জুড়িয়ে যায়। কয়েকটি মাঠ পার হওয়ার পর মেসিদের অনুশীলন ভেন্যুতে প্রবেশ। 

অনুশীলন গ্রাউন্ডের দুইদিকে ছোট গ্যালারি। একপাশে ড্রেসিং রুম। অন্যদিকে জিমের সুবিধা। মেসিরা ধীরে ধীরে এসে নিজেদের গুছিয়ে নিলেন অনুশীলনের জন্য। পাশাপাশি দুইটি অনুশীলন মাঠ। কোচ চাইলে অনেক বড় করেও অনুশীলন করাতে পারেন এমন সুবিধা রয়েছে। 

বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন দল আর্জেন্টিনা অনুশীলন করছে, ফলে সুযোগ-সুবিধার মাত্রা সহজেই অনুমেয়। ফিফার নিয়মানুযায়ী, অনুশীলনের প্রথম পনেরো মিনিট মিডিয়া থাকতে পারে। এরপর স্থান ত্যাগ করতে হয়। আর্জেন্টিনার অনুশীলনে মিডিয়া টাইমের পর ক্লাব প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বৃষ্টির মধ্যেও সেখানে দাঁড়ানোর সুযোগ মিলেনি।

তবে স্বল্প সময়ের মধ্যে চোখে পড়েছে ক্লাবের সুন্দর প্রশাসনিক ভবন, যেখানে বিভিন্ন সাফল্যের ছবি ও ট্রফি রয়েছে। ফুটবলের আধুনিক সরঞ্জামের জন্য আলাদা কক্ষ। পাশাপাশি খাওয়ার জন্য বিশাল ডাইনিং ও অন্য সুযোগ সুবিধা—সবই দূর থেকে দেখতে হয়েছে। ভেতরে যাওয়া কিংবা সংশ্লিষ্ট কারো কাছ থেকে সরাসরি কিছু জানা যায়নি। 

আটলান্টা ইউনাইটেড মেজর সকার লিগে অংশগ্রহণ করে। জর্জিয়া প্রদেশে আটলান্টার মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়াম তাদের হোম ভেন্যু। যেখানে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালসহ বেশ কয়েকটি ম্যাচ হয়েছে। আটলান্টা ইউনাইটেডের সিনিয়র ও একাডেমি দল ক্লাব প্রাঙ্গণে অনুশীলন করে। অন্য ক্লাবের সাথে প্রীতি ম্যাচও সেখানে হয়।

বিশ্বকাপের অনুশীলন ভেন্যু হিসেবে অনেক ক্লাবের মাঠ ব্যবহার হচ্ছে। ওই সকল ক্রীড়া অবকাঠামো নিয়ে লেখালেখি পরিকল্পনা থাকলেও সেভাবে সফল হওয়া যায়নি। যে ভেন্যুতে যেদিন অনুশীলন, শুধুমাত্র ওইদিনই মিডিয়ার প্রবেশাধিকার রয়েছে।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, অনুশীলন শুরুর কিছুক্ষণ আগে প্রবেশ করে মিনিট পনেরো পর স্থান ত্যাগ করতে হয়। তাতে সাংবাদিকদেরই বিশদভাবে দেখার ও জানার সুযোগ হয় না। পাঠক ও দর্শকদের সামনে তুলে ধরা তো দুঃসাধ্য ব্যাপার। 

এজেড/আইএইচ