World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

‘টিপস’ সংস্কৃতি

‘টিপস’ সংস্কৃতি

বাংলাদেশ কিংবা উপমহাদেশে রেস্টুরেন্টে খাবারের পর অনেকে খুশি হয়ে বখশিস দেন। আমেরিকায় অবশ্য ব্যতিক্রম। রেস্তোরাঁয় খাবার বিলের সঙ্গে নির্দিষ্ট হারে টিপস যোগ হয়। 

আমেরিকায় টিপস সংস্কৃতি বহুল প্রচলিত। নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর ট্যাক্সিতে আবাসস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা। পৌঁছানোর পর ট্যাক্সির পেছনে অপশন ১০-২০-৩০ % টিপস, না অন্য কোনো অ্যামাউন্ট! বাংলাদেশিরা এর সঙ্গে সাধারণত পরিচিত নন। ড্রাইভার বললেন, ‘এখানে ভাড়ার সাথে সবাই টিপস দেয়। কেউ ৩০% দেয় আবার কেউ ৫-৭%। সবাই দেয় মূলত।’

ট্যাক্সির পাশাপাশি উবারেও এ রকম ব্যবস্থা। উবারে নির্দিষ্ট ভাড়া আগেই প্রদর্শন করে। সেই ভাড়া প্রদর্শনের পর বিল প্রদানের সময় টিপস অপশন আসে। ঐচ্ছিক হওয়ায় অনেকে ৭% করেন, আবার অনেকে করেন না। তবে করার সংখ্যাই বেশি। 

খাবারের দোকানে গিয়েও অনেকটা এই অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশে সাধারণত ভোক্তা খুশি হয়ে সেবা প্রদানকারীকে বখশিস দেন, আবার সেবা প্রদানকারীও ভোক্তার কাছে বখশিশ চান। আমেরিকার অনেক রেস্তোরাঁয় বখশিস আনুষ্ঠানিক। বিলের সাথে নির্দিষ্ট হারে যোগ। ট্যাক্স অনেক রেস্টুরেন্ট মওকুফ করলেও টিপস বিলের সঙ্গে থাকেই।

দৈনন্দিন জীবনের নানা জিনিস অনেকে গ্রোসারি থেকে অর্ডার করেন। বাসায় ডেলিভারির জন্য ডেলিভারি চার্জ তো আছেই, সাথে ডেলিভারি ম্যানকে টিপস দিতে হয়। সেটা অর্ডারে সময়ই শোধ করতে হয়, না হলে ডেলিভারির সময় দিতে হয়। 

আমেরিকার টিপস সংস্কৃতি বহুল প্রচলিত। রেস্তোরাঁ-ট্যাক্সি চালক হিসেবে কাজ করা অনেক বাংলাদেশি প্রবাসী বলেন, ‘টিপস আমাদের আয়ের অন্যতম উৎস। মাসে মোটামুটি ভালো অঙ্ক আসে টিপস থেকেই।’

এজেড/এফএইচএম