বেশ কয়েকদিন আগের কথা। একটি গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে লামিনে ইয়ামালকে দেখানো হয়েছিল একটি আইকনিক ছবি—যেখানে লিওনেল মেসি তাকে গোসল করাচ্ছেন। স্প্যানিশ তারকা বললেন, ‘বেশ, আমি অনেক বড় হয়ে গেছি এবং লিও-ও। আমি আশা করি ফাইনালে মেসির মুখোমুখি হতে পারব, যেহেতু আমরা ফিনালিসিমায় খেলতে পারিনি।’ ২০০৮ সালে বার্সেলোনার একটি চ্যারিটি ক্যালেন্ডারে প্রকাশিত সেই আইকনিক ছবির দুই প্রধান চরিত্র এখন আর্জেন্টিনা ও স্পেনের তারকা, ১৯ বছর পর তারা বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রতিদ্বন্দ্বী।
শুক্রবার ফিফার এক ইভেন্টে সেই ছবি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে মেসিকেও। সেখানে স্পেন-আর্জেন্টিনার অধিনায়ক-কোচ ছিলেন। এই অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক রিও ফার্দিনান্দ ও টেনিস তারকা নোভাক জোকাভিচ। দুই জনের সাথে যোগ দিয়েছিলেন বাস্কেটবল ও মেজর সকার লিগের খেলোয়াড় টম ব্র্যাডি। মেসিকে ইংরেজিতে ইয়ামালের ছবি নিয়ে প্রশ্ন করেন। মেসি ইংরেজি প্রশ্ন সেভাবে বুঝতে পারেননি। দোভাষী মেসির উদ্দেশ্যে স্প্যানিশ ভাষায় রুপান্তর করেন। মেসি হাসিমুখে স্প্যানিশ ভাষায় উত্তর দেন। এরপর আবার দোভাষী সেটা ইংরেজীতে অনুবাদ করেন।
মেসি বলেন, ‘সত্যি কথা হলো ছবিটা অদ্ভুত। কারণ এটাই জীবন। যখন আমি ছোট ছিলাম তখন ছবিটা তুলেছিলাম। এখন বিশ্বকাপ ফাইনালে তার মুখোমুখি হচ্ছি। এটা অবিশ্বাস্য। কিন্তু সে এখন বিশ্বের অন্যতম সেরা। সে ইতোমধ্যে স্পেনের হয়ে ইউরো জিতেছে। বর্তমানে দারুণ করছে, আগামীর ভবিষ্যৎও তার জন্য দারুণ। তবে এই ম্যাচে আমরা ভালো একটি ম্যাচ খেলার চেষ্টা করব, যাতে সে তার সেরা খেলাটা খেলতে না পারে।’
মেসির সেরা সময় কেটেছে বার্সেলোনায়। আর্জেন্টিনা ছেড়ে কৈশোরে বার্সেলোনাতেই মূলত বেড়ে উঠেন তিনি। তাই ইয়ামালের প্রতি তার একটু আলাদা স্নেহ। তিনি বলেন, ‘বার্সেলোনায় অনেক সময় কেটেছে। তার সঙ্গেও সেখান থেকে পরিচয়।’ ২০০৭ সালের ইয়ামাল-মেসির ছবি এখন আলোচনায়। দুই দশক পর এখন দুই জন একে অন্যের সাথে বিশ্বকাপের ফাইনালের জন্য লড়ছে। যা মেসি ‘অনেকটা ভাগ্যের অবিশ্বাস্য গল্প’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
বড় ম্যাচের আগে চাপ সামলানো নিয়ে প্রশ্নে মেসি বলেন, ‘আমরা স্বাভাবিক খেলার চেষ্টাই করি। খেলায় হার-জিত থাকবেই।’
এজেড/এফএইচএম

