বিশ্বকাপ ফাইনালের মহারণের আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। বাংলাদেশ সময় রাত ১ টায় নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে দুই পরাশক্তি দেশ আর্জেন্টিনা ও স্পেন। মাঠের দ্বৈরথের আগে ক্রীড়া পরিসংখ্যানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অপ্টা সুপারকম্পিউটার নতুন এক ভবিষ্যৎবাণী প্রকাশ করেছে।
৪৮ দল থেকে শিরোপার দৌড়ে টিকে আছে মোটে দুই দল। ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ১৬ বছর পর ফাইনালে উঠেছে স্পেন। আটলান্টার মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে টানা দ্বিতীয় আসরের ফাইনালের টিকিট কেটেছে আর্জেন্টিনা। রুদ্বশ্বাস সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।
বিশ্বকাপ ফাইনালের মহারণের আগে সুপারকম্পিউটার যে নতুন ভবিষ্যৎবাণী দিয়েছে, তাতে চোখ কপালে উঠেছে ফুটবলপ্রেমীদের। আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি নিয়ে ২৫ হাজার বার সিমুলেশন করেছে অপ্টার স্ট্যাটিস্টিক্যাল মডেল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লুইস দে লা ফুয়েন্তের দলের ট্রফি জেতার সম্ভাবনা ৫৯.৬ শতাংশ, যেখানে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সম্ভাবনা ৪০.৪ শতাংশ। সিমুলেশন অনুযায়ী, স্পেনের নির্ধারিত ৯০ মিনিটেই ম্যাচ জিতে যাওয়ার সম্ভাবনা ৪৫ শতাংশ। অন্যদিকে ম্যাচ ড্র হওয়ার সম্ভাবনা ২৯ শতাংশ এবং নির্ধারিত সময়ে আর্জেন্টিনার জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ২৬ শতাংশ।

চলতি বিশ্বকাপে সব কটি ম্যাচ জিতলেও মাঠের পারফরম্যান্সে আর্জেন্টিনা নিজেদের কিছুটা হলেও 'ত্রুটিপূর্ণ' বা অপরাজেয় নয়—এমন প্রমাণ রেখে এসেছে। আর ঠিক এই কারণেই অপ্টা সুপারকম্পিউটারসহ অনেক বিশেষজ্ঞই ফাইনালে স্পেনকে ফেভারিট মানছেন।
লুইস দে লা ফুয়েন্তের দলের ট্রফি জেতার সম্ভাবনা ৫৯.৬ শতাংশ, যেখানে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সম্ভাবনা ৪০.৪ শতাংশ। সিমুলেশন অনুযায়ী, স্পেনের নির্ধারিত ৯০ মিনিটেই ম্যাচ জিতে যাওয়ার সম্ভাবনা ৪৫ শতাংশ। অন্যদিকে ম্যাচ ড্র হওয়ার সম্ভাবনা ২৯ শতাংশ এবং নির্ধারিত সময়ে আর্জেন্টিনার জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ২৬ শতাংশ।
মূলত ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণভাগের ধার সম্পূর্ণভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অসামান্য দক্ষতার কারণেই স্পেনকে এগিয়ে রাখা হচ্ছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই বিশ্বকাপে স্প্যানিশরা প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ম্যাচে গড়ে মাত্র ০.৩১ এক্সপেক্টেড গোল হজম করার সুযোগ দিয়েছে, যা চলতি টুর্নামেন্টে যেকোনো দলের চেয়ে কম। শুধু তাই নয়, ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই যৌথভাবে সবচেয়ে সেরা রক্ষণাত্মক রেকর্ড। এর আগে ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে উরুগুয়ে ঠিক একই রকম গোল হজমের সুযোগ দিয়েছিল প্রতিপক্ষকে।
ভবিষ্যৎবাণী স্পেনের পক্ষে থাকলেও পরিসংখ্যান কিন্তু লিওনেল মেসির দলের পক্ষেও কথা বলছে। আর্জেন্টিনা তাদের ফুটবল ইতিহাসে সপ্তম বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলতে নামছে। কাতার ২০২২-এরপর যদি আর্জেন্টিনা এবারও কাপ জেতে, তবে ইতালি ও ব্রাজিলের পর ইতিহাসের মাত্র তৃতীয় দল হিসেবে টানা দুবার বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি গড়বে স্কালোনির দল। অন্যদিকে স্পেনের ঝুলিতেও রয়েছে টানা ৩৭টি অফিসিয়াল ম্যাচে অপরাজিত থাকার দুর্দান্ত রেকর্ড।
এফআই

