হাইড্রেশন ব্রেকের আগে বিশ্বকাপ ফাইনালে দাপট দেখাল স্পেন। আর্জেন্টিনাকে বোতলবন্দি রেখে তারা মাঠজুড়ে খেলেছে। লামিনে ইয়ামাল স্পেনের হয়ে একমাত্র শট লক্ষ্যে রাখেন।
ইয়ামাল প্রায় স্পেনকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রথম বড় সুযোগটি পায় লা রোজা। ইয়ামাল বক্সে ক্রস বাড়ানোর চেষ্টা করেন এবং বলটি ডিফ্লেক্ট হয়ে ওলমোর কাছে চলে যায়। ওলমো দারুণভাবে বলটি আবার তার দিকেই বাড়িয়ে দেন। ইয়ামাল বলটি নিয়ন্ত্রণে নেন। কিন্তু লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ও এমিলিয়ানো মার্টিনেজের যৌথ প্রচেষ্টায় বলটি জালে জড়াতে পারেনি!
ফাইনালটিতে শুরু থেকেই দুই দলের আক্রমণ ও প্রতিআক্রমণে এক তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মিলেছে। ওয়ারজাবাল চমৎকার এক ফ্লিকে পোরোর উদ্দেশ্যে বল বাড়িয়েছিলেন। তাকে ম্যাক অ্যালিস্টার ফাউল করে ফেলে দেন। কিন্তু রেফারি স্লাভকো ভিনসিক ফাউলের সেই আবেদন নাকচ করে দেন!
দুই দলের মধ্যে স্পেনই শুরুটা ভালো করেছে, তবে আর্জেন্টিনাও ভীতি ছড়ায়। এর ঠিক কিছুক্ষণ আগেই সিমন দ্রুত নিজের লাইন ছেড়ে সামনে এগিয়ে এসে মেসিকে নিশ্চিত গোলের সুযোগ পাওয়া থেকে দুর্দান্তভাবে রুখে দেন!
প্রথম ২৩ মিনিটে মাত্র ৩২ শতাংশ বল দখলে রাখতে পেরেছে আর্জেন্টিনা। তাদের তিন ফরোয়ার্ড লিওনেল মেসি, নিকো গঞ্জালেজ ও হুলিয়ান আলভারেজ মিলে মাত্র ১৭ বার বলে পা ছুঁতে পেরেছেন।
স্পেনের অধিনায়ক রদ্রি পুরো মাঠ জুড়ে খেলছেন। এমনকি ডিফেন্সেও তৃতীয় সেন্টার ব্যাকের ভূমিকায় তিনি। বল দখলেও রাখছেন দারুণ অবদান। এছাড়া আর্জেন্টিনার অর্ধেও চাপ তৈরি করছেন। স্পেনের তীব্র আক্রমণের সঙ্গে পেরে উঠছে না আর্জেন্টিনা।
এফএইচএম

