World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

৯০ মিনিটে লক্ষ্যে কোনো শট নেই, ফাইনালে আর্জেন্টিনার অবাঞ্ছিত রেকর্ড

৯০ মিনিটে লক্ষ্যে কোনো শট নেই, ফাইনালে আর্জেন্টিনার অবাঞ্ছিত রেকর্ড

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। স্পেনের বিপক্ষে সুবিধাই করতে পারেনি। ম্যাচ ৯০ মিনিট শেষে গোলশূন্য রাখতে পারাই তাদের জন্য স্বস্তির। অবাঞ্ছিত এক রেকর্ড গড়ল তারা। ফাইনালে প্রথম দল হিসেবে পুরো ৯০ মিনিটে কোনো শট তারা লক্ষ্যে রাখতে পারেনি।

আর্জেন্টিনার হয়ে একাই খেলেছেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। একে একে স্পেনের ১০টি প্রচেষ্টা রুখে দেন তিনি, যা বিশ্বকাপ ফাইনালে রেকর্ড। ইনজুরি টাইমে এনজো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড দেখেন। ১০ জনের দল নিয়ে চাপে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। 

পুরো ৯০ মিনিটে আর্জেন্টিনা লক্ষ্যে একটিও শট রাখতে পারেনি। বিপরীতে স্পেন ১০টি শট নিয়েছে লক্ষ্যে। সবগুলোই মার্টিনেজ রুখে দিয়েছেন। এই সময়ে ৬৪ শতাংশ বল দখলে রেখেছিল স্পেন।

হাফটাইমের আগে ৬৫ শতাংশ বল পজেশনে রেখেছিল স্পেন। মাত্র ৩৫ শতাংশ আর্জেন্টিনা। লক্ষ্যে লা রোজারা শট রেখেছে দুটি। পাসেও দ্বিগুণ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল স্পেন। আর্জেন্টিনার ১৫৫ নিখুঁত পাসের বিপরীতে তাদের ৩১৩! পুরোটা সময় লক্ষ্যে তো বটেই, কোনো শট নিতে পারেনি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। স্পেনের গোলকিপার উনাই সিমন দুইবার ক্লিয়ার সুইপ করে তাদের প্রচেষ্টা নষ্ট করে দেন। স্পেন ফাইনাল থার্ডে ৩৫ বার ‍ঢুকেছে, যেখানে আর্জেন্টিনা মাত্র ১৮ বার।

১৯৬৬ সালে রেকর্ড নথিভুক্ত করার পর থেকে প্রথম দল হিসেবে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রথম  ৭০ মিনিটে লক্ষ্যে কোনো শট রাখতে পারল না। এর আগের দীর্ঘ অপেক্ষা ছিল গত আসরে। ৬৮তম মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছিল ফ্রান্সকে। বাকি সময়েও তারা লক্ষ্যে শট রাখতে পারেনি। পরিবর্তে ১০ জনের দলে পরিণত হয়। দ্বিতীয়ার্ধেও আর্জেন্টিনা কোনো শট নিতে পারেনি। এই সময়ে তারা মাত্র ৩২ শতাংশ বল দখলে রেখেছিল। মার্টিনেজ শেষ ৪৫ মিনিটে আটটি সেভ করেন।

এফএইচএম