জিন্নাহরও মেডিকেলে ভর্তির দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী মুরাদ

Dhaka Post Desk

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

১২ এপ্রিল ২০২১, ১৯:২৮

জিন্নাহরও মেডিকেলে ভর্তির দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী মুরাদ

প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে জিন্নাহর হাতে মেডিকেলে ভর্তির আর্থিক অনুদান তুলে দেওয়া হচ্ছে

সরিষাবাড়ী পৌর এলাকার মেধাবী শিক্ষার্থী সুমনের পর এবার উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের স্বাধীনাবাড়ী গ্রামের মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর মেডিকেলে ভর্তির দায়িত্ব নিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এমপি।

সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে মুরাদ হাসানের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে তাদের হাতে মেডিকেলে ভর্তির আর্থিক অনুদান তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন পাঠান, নির্বাহী কর্মকর্তা শিহাব উদ্দিন আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দফতর সম্পাদক জহুরুল ইসলাম মানিক, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে কাউন্সিলর সাখাওয়াত আলম মুকুল, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির প্রমুখ।

জানা যায়, সুমনের বাবা মিন্টু ও মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর বাবা সুলতান দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালান। সুমন ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ এবং মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পান। কিন্তু দরিদ্র পরিবারের সন্তান হয়ে তাদের মেডিকেলে পড়া হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় দেখা দেয়।

বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় সংসদ সদস্য মুরাদ হাসান তার পক্ষ থেকে কাউন্সিলর সাখাওয়াত আলম মুকুল ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে দুই শিক্ষার্থীর বাড়িতে পাঠান। খোঁজখবর নিয়ে তাদের মেডিকেলে ভর্তির দায়িত্ব নেন এবং লেখাপড়ার সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

শিক্ষার্থী সুমন ও মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, দরিদ্র পরিবারের সন্তান হওয়ায় পরিবার থেকে মেডিকেলে ভর্তির সামর্থ্য ছিল না। তাই দুঃচিন্তায় ছিলাম। আমাদের এমপি মুরাদ স্যার মেডিকেলে ভর্তির দায়িত্ব নিয়েছেন এবং আমাদের পড়াশোনায় আর্থিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা তার কাছে কৃতজ্ঞ।

এ বিষয়ে ডা. মুরাদ হাসান বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকায় দুই দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী সুমন ও মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ টাকার অভাবে মেডিকেলে ভর্তি হতে বা পড়তে পারবে না— এটা কখনও হতে পারে না। আমি তাদের বাড়িতে খোঁজ নিয়ে দুজনের মেডিকেলে ভর্তির দায়িত্ব নিয়েছি। তাদের পরিবারের হাতে আপাতত ভর্তির জন্য ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। এরপরও তাদের পড়ালেখা সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য যা যা প্রয়োজন আমি ব্যক্তিগতভাবে তা করব।

এইউএ/এমএআর/

Link copied