১০ লাখ টাকা ও অফিস পাবে ইউনিবেটরে বিজয়ী দল

Dhaka Post Desk

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৯:২৯ পিএম


১০ লাখ টাকা ও অফিস পাবে ইউনিবেটরে বিজয়ী দল

ইউনিবেটরে অংশ নেওয়া প্রতিযোগীরা/ ছবি: সংগৃহীত

দেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্প ‘ইউনিবেটর’। স্টার্টআপ কালচার গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে ক্যাম্পের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের (বিএইচটিপিএ) আওতাধীন শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর প্রকল্প, চুয়েট এবং ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন।

শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ক্যাম্পের দ্বিতীয় দিন আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সফল স্টার্টআপ তৈরির প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ১০ দলের প্রত্যেকটিই মাসব্যাপী ইনকিউবেশনের পাশাপাশি নিজেদের আন্তর্জাতিক মানের কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য ১০ লাখ টাকা করে এবং বিনামূল্যে অফিস স্পেস পাবে। সেইসঙ্গে বিজয়ী শীর্ষ তিন স্টার্টআপ বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

‘ইউনিবেটর’ মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্পের অতিথি সেশনে আলোচক হিসেবে থাকছেন গুগল, ফেসবুক ও মাইক্রোসফটের প্রতিনিধিরা। ক্যাম্পে প্রথমদিন অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি গুগল থেকে যুক্ত হয়েছিলেন নেক্সট বিলিয়ন ইউজারের (এনবিইউ) হেড অব অপারেশন বিকি রাসেল। উদ্ভাবন ও বাণিজ্যিকীকরণ বিষয়ে মেন্টরিং প্রদান করেন তিনি।

অতিথি সেশনে শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) থাকবেন বাংলাদেশে ফেসবুকের হেড অব পাবলিক পলিসি শাবহানাজ রাশিদ দিয়া। তিনি আলোচনা করবেন ‘ডিজিটাল ইকোনমি’তে উদ্ভাবনকে উৎসাহ প্রদানের বিষয়ে। এ দিন আরও অংশ নেবেন মাইক্রোসফট বাংলাদেশের হেড অব চ্যানেল সেলার মাশরুর হোসেন। আর শেষদিন মেন্টর ডেভলপমেন্ট ক্যাম্পে প্যানেল আলোচনায় অংশ নেবেন টেক জায়ান্ট ডেল টেকনোলজিসের এশিয়া প্যাসিফিক অ্যান্ড জাপান (এপিজে) সিএক্সও অ্যাডভাইজরি বোর্ডের সদস্য সোনিয়া বশির কবীর।

চার দিনব্যাপী ‘মেন্টর ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্প’-এ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত থাকবেন বিভিন্ন ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আইটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং সরকারের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

প্রতিবছর স্নাতক শেষে প্রায় এক মিলিয়ন (১০ লাখ) শিক্ষার্থী চাকরির বাজারে প্রবেশ করেন। নিয়ম অনুযায়ী, তাদের প্রত্যেককে কমপক্ষে একটি থিসিস বা অনুরূপ একাডেমিক প্রজেক্ট বাধ্যতামূলকভাবে জমা দিয়ে স্নাতক সম্পন্ন করতে হয়। তবে প্রায় সব ক্ষেত্রেই এই প্রজেক্ট বা কনসেপ্ট বা আইডিয়াগুলো একটি রিপোর্টেই সীমাবদ্ধ থেকে যায়। ফলস্বরূপ, শিক্ষার্থীরা নতুন কনসেপ্ট বা উদ্ভাবনী আইডিয়া নিয়ে কাজ করার চেয়ে পূর্বের বছরগুলোতে ভালো নম্বর পাওয়া বিষয়গুলো বেছে নিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

শিক্ষার্থীদের একাডেমিক প্রজেক্ট, কনসেপ্ট, আইডিয়াগুলোকে বাস্তব জীবনের পণ্য বা সেবায় রূপান্তরিত করে তাদের নিজস্ব বিজনেস ভেঞ্চার গড়ে তুলতে উৎসাহিত করার উদ্যোগ হিসেবেই ‘ইউনিবেটর’ প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়েছে।

এএসএস/আরএইচ/এফআর

Link copied