চলতি বছরের শুরুতে অ্যান্টার্কটিকা (কুমেরু) অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করার পর, এবার উত্তর মেরুর ‘হাই আর্কটিক’ বা সুমেরু অঞ্চলে নতুন এক রোমাঞ্চকর অভিযানে নেমেছেন বাংলাদেশি কনটেন্ট ক্রিয়েটর আবু মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন (সালাহউদ্দিন সুমন) এবং ভ্রমণ লেখক ও উদ্যোক্তা নিলয় কুমার বিশ্বাস।
চলমান মেরু অভিযান সিরিজের অংশ হিসেবে এই দুই অভিযাত্রী ইতোমধ্যে উত্তর মহাসাগরে অবস্থিত নরওয়ের স্ভালবার্দ দ্বীপপুঞ্জের পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তরের জনবসতি 'লংইয়ারবায়েন'-এ পৌঁছেছেন। প্রায় ৭৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত স্ভালবার্দকে পৃথিবীর অন্যতম দুর্গম এবং প্রত্যন্ত অঞ্চল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। হিমবাহ, বরফাবৃত পর্বত আর মেরু ভাল্লুক, রেইনডিয়ার ও সিলসহ নানা বন্যপ্রাণীর জন্য এলাকাটি বিখ্যাত।
জুন মাসের শুরুতে সেখানে পৌঁছানোর কারণে তাঁরা ২৪ ঘণ্টা সূর্য দৃশ্যমান থাকার এক অনন্য প্রাকৃতিক ঘটনা প্রত্যক্ষ করছেন। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে আমস্টারডাম ও অসলো হয়ে তারা লংইয়ারবায়েনে পৌঁছান।
অভিযান নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে সালাহউদ্দিন সুমন বলেন, একই বছরে অ্যান্টার্কটিকা ও আর্কটিক—উভয় মেরু অঞ্চল ঘুরে আমার দর্শকদের জন্য বাংলায় কনটেন্ট তৈরি করা সত্যিই এক অনন্য সুযোগ। তাঁর এই অভিযানের গল্প পরবর্তীতে তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হবে। অন্যদিকে নিলয় কুমার বিশ্বাস এই সফলতাকে স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা বলে বর্ণনা করেছেন।
দুর্গম ও চ্যালেঞ্জিং এই সুমেরু অভিযানে স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করছে ‘ডট ইন্টারনেট’ এবং প্রতিষ্ঠানটির সিইও প্রদীপ ঢালী এই যাত্রায় সার্বিক সমর্থন জুগিয়েছেন। বাংলা ভাষায় গল্প বলার মাধ্যমে সুমেরু অঞ্চলের সৌন্দর্য ও রহস্যকে বাংলাদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরাই এই দুই অভিযাত্রীর মূল লক্ষ্য।
আরএফ/এসএম
