বিজ্ঞাপন

২৯ অক্টোবর থেকে ঢাকায় পর্যটন মেলা, অংশগ্রহণ করছে ২০ দেশ

২৯ অক্টোবর থেকে ঢাকায় পর্যটন মেলা, অংশগ্রহণ করছে ২০ দেশ

আগামী ২৯ অক্টোবর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১৪তম বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৬। ৩ দিনব্যাপী মেলা শেষ হবে ৩১ অক্টোবর। মেলার টাইটেল স্পন্সর ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।

সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে এক অনুষ্ঠানে একথা জানান ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ।

তিনি জানান, বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) এই মেলা অনুষ্ঠিত হবে। এবারের মেলায় ২০টিরও বেশি দেশ থেকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটন অংশীজনরা অংশ নিতে যাচ্ছে। আয়োজনটি ট্যুর অপারেটর, এয়ারলাইন্স, হোটেল, ট্যুরিজম বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে একই প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। 

তিন দিনব্যাপী এই মেলার আয়োজনে রয়েছে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের শীর্ষ সংগঠন ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব)। পর্যটন খাতের বিকাশ, নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা এই মেলার উদ্দেশ্য। এ বছর বিটিটিএফের টাইটেল স্পন্সর হিসেবে রয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। 

মেলায় ২০০-রও বেশি বুথ ও স্টল, ২২০ এর অধিক একজিবিটর, আড়াইশর বেশি কোয়ালিফাইড বায়ার, আড়াই হাজার ট্রেড ভিজিটর ও ৬০ হাজারেরও বেশি দর্শনার্থী অংশগ্রহণ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

একইসঙ্গে, চারটি থিমভিত্তিক প্রদর্শনী হলে ২০০টিরও বেশি এয়ারলাইন্স, হোটেল ও ট্যুর অপারেটর অংশ নেবে, যা বিটিটিএফ ২০২৬-কে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের জন্যে একটি বৃহৎ প্ল্যাটফর্মে পরিণত করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

২০টিরও বেশি দেশের পর্যটন বিষয়ক প্রতিষ্ঠান, ট্যুর অপারেটর ও ট্রাভেল এজেন্সি এ বছরের মেলায় অংশগ্রহণ করবে। নেপাল, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ ও ফিলিপাইনের অংশগ্রহণকারীরা ইতোমধ্যে মেলায় তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে। একইসঙ্গে তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও আজারবাইজান থেকে অংশীজনরা অংশগ্রহণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মেলার টাইটেল স্পন্সর ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, এই মেলা বাংলাদেশের এভিয়েশন ও ট্যুরিজম খাতকে আরও এগিয়ে নেবে বলে আশা করছি। এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রি আজ যে পর্যায়ে এসেছে, সেখানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স মূল ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশের আকাশপথের শেয়ারের ২০ থেকে ২২ শতাংশ এখন বাংলাদেশের কাছে রয়েছে, যার অন্যতম কারণ ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। ইউএস-বাংলা না থাকলে এই শেয়ার ১০ শতাংশের নিচে চলে যেত।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স শিগগিরই ব্রুনেই, বাহরাইন, কুয়েত, সালালা, পেনাং ও জোহর বাহরুর মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট শুরু করবে। আমাদের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে লন্ডন, রোম, নিউইয়র্ক ও টরন্টো রুটে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা করছি।

এআর/এসএম