সুন্দরবনে নিষেধাজ্ঞা চললেও বন্ধ হয়নি মানুষের প্রবেশ। ১৮ আগস্ট পর্যন্ত ৩৮টি মামলা হয়েছে এবং ৪৪ জনকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
জুন থেকে আগস্ট—তিন মাস সুন্দরবনে সব ধরনের সম্পদ আহরণ ও ইকোট্যুরিজম বন্ধ রয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও মাছ ও কাঁকড়া ধরতে গিয়ে আটক হচ্ছেন জেলেরা।
বন বিভাগ বলছে, দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা টহল চললেও বিশাল সুন্দরবনে সব এলাকায় একসঙ্গে নজরদারি করা কঠিন।
জনবল সংকটের কথাও জানিয়েছে বন বিভাগ।
এদিকে সুন্দরবন বন্ধ থাকায় জীবিকার সংকটে পড়েছেন উপকূলের জেলে ও বাওয়ালিরা।
স্থানীয় জেলেদের বক্তব্যে উঠে এসেছে জলদস্যুদের আতঙ্কের বিষয়টিও।