জীবিকার তাগিদে প্রায় এক বছর আগে মালয়েশিয়ায় পাড়ি দিয়েছিলেন পরিবারের ছোট ছেলে রাজন মাহমুদ (২৫)। সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে মালয়েশিয়ার চ্যারাস শহরে গাড়িচাপায় প্রাণ হারান তিনি।

নিহত রাজন মাহমুদ শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ঘড়িসার ইউনিয়নের চর লাউলানি গ্রামের জাহাঙ্গীর মৃধার ছোট ছেলে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উন্নত জীবনের আশায় রাজন প্রায় এক বছর আগে মা-বাবা, আত্মীয়স্বজন রেখে মালয়েশিয়ায় যান। তিনি মালয়েশিয়ার চ্যারাস শহরে শ্রমিকের কাজ করতেন। সোমবার রাতে গাড়ির চাপায় তিনি নিহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ খবর বাংলাদেশে তার পরিবার জানার পর কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। রাজন মাহমুদের মরদেহ দ্রুত দেশে আনার জন্য দাবি জানান।

রাজন মাহমুদের বাবা জাহাঙ্গীর মৃধা ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমার ছেলে মালয়েশিয়ায় মারা গেছে। আমার সোনার টুকরা ছেলেটা গাড়ি চাপায় মারা গেছে। এছাড়া আর কিছুই জানি না আমি। আমি আমার ছেলের মরদেহ দেশে আনতে চাই। সরকার যেন দ্রুত আমার ছেলের মরদেহ দেশে এনে দেয়।

ঘড়িসার ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য আনসার মাঝি ঢাকা পোস্টকে বলেন, নিহত রাজন মাহমুদের স্বজনরা পরিষদে এসেছিলেন। তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সব কাগজপত্র প্রস্তুত করে তাদেরকে দেওয়া হয়েছে। আশা করছি দ্রুত রাজনের মরদেহ দেশে আনা হবে।

বিষয়টি নিয়ে নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শংকর চন্দ্র বৈদ্য ঢাকা পোস্টকে বলেন, প্রবাসে কেউ মারা গেলে উপজেলা প্রশাসন ওই পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা করে। রাজনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে উপজেলা প্রশাসন সহযোগিতা করবে।

সাইফ রুদাদ/আরকে