হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় যৌতুকের দাবিতে ৬ মাসের গর্ভবতী এক গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে শ্বশুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। ৯৯৯-এ এ সংক্রান্ত কল পেয়ে উপজেলার শানখলা ইউনিয়নের ডেওয়াতলী গ্রাম থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় রিমা আক্তার (২২) নামের ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে পুলিশ।  

ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, রিমা আক্তারের স্বামীর নাম সুলতান হোসেন। বিয়ের ৩ মাস যেতে না যেতেই রিমার উপর শুরু হয় স্বামীর নির্যাতন। সুলতানের বাবা-মাও রিমাকে নির্যাতন করতেন। বিয়ের ৪ মাস পর সুলতান আবার বিয়েও করে। সুলতান দ্বিতীয় বিয়ে করার পর রিমার উপর নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায়। সুলতানের দ্বিতীয় স্ত্রীও রিমাকে নির্যাতন করতেন।  

গত এক সপ্তাহ ধরে রিমাকে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। ৯৯৯-এ এ সংক্রান্ত কল পেয়ে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ।  

রিমা আক্তার বলেন, আমার গরীব বাবা তাদের যৌতুকের চাহিদা পূরণ করতে না পারায় প্রায় সময়ই আমার গায়ে হাত তুলত। এমনকি আমার গর্ভের সন্তানও তাদের হাত থেকে রক্ষা পায়নি। 

তিনি আরও বলেন, ডাক্তার বলেছেন এখন আমার গর্ভের সন্তান আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে। 

চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিল্লোল রায় জানান,  ৯৯৯-এ কল পেয়ে গৃহবধূ রিমাকে উদ্ধার করে তার চাচার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এনএফ