মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিনিধির একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে অতিরিক্ত ট্রাক ভাড়া ও স্থলবন্দর শ্রমিকদের সিন্ডিকেটকে দায় করা হয়।

শনিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে টেকনাফ স্থলবন্দর ইউনাইটেড স্থলবন্দরের কার্যালয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ চৌধুরী সভাপত্বিতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্তি সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। এর আগে তিনি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ খালাসহ সব কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।

এ সময় বৈঠকে স্থলবন্দর ব্যবসায়ী এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনসহ সব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা উপস্থিন ছিলেন।

বৈঠকে ব্যবসায়ীরা, টেকনাফ স্থলবন্দর, কাস্টম ও রোহিঙ্গা শ্রমিকসহ ট্রান্সপোর্ট সিন্ডিকেটের বিভিন্ন অনিময়ের কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে অতিরিক্ত ট্রাকভাড়া ও স্থলবন্দর শ্রমিকদের সিন্ডিকেটকে দায় করেন তারা।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ এইচ এম সফিকুজ্জামান জানান, ব্যবসায়ীরা যাতে আরও বেশি মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি বৃদ্ধি করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সরকার পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করেছে। বাজারে দাম স্থিতিশীল ও জনগণের চাহিদা মেটাতে এখানে আসা। তবে অতিরিক্ত ট্রাক ভাড়া ও শ্রমিকদের সিন্ডিকেটের কারণে বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়ে বলে জানান তিনি।

সচিব জানান, ঢাকায় গিয়ে এসব সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া পচনশীল এই পণ্য বন্দর থেকে দ্রুত খালাস হয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের হয়রানি বন্ধের আশ্বাস দেন তিনি। পাশাপাশি এখানকার সমস্য সমাধানের নির্দেশ দেন ইউএনওকে।

বৈঠকে আরও বক্তব্যে রাখেন টেকনাফ ২ বিজিবি উপপরিচালক লে. এম মুহতাসিম বিল্লাহ সাকিল, টেকনাফ স্থলবন্দর ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্টের ব্যবস্থাপক মো. জসিম উদ্দীন চৌধুরী, টেকনাফ স্থলবন্দর কাস্টমস কর্মকর্তা আব্দুন নুর, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল আমিন, ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির খলিলুর রহমান, আমদানিকারক ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকরা।

মুহিববুল্লাহ/এনএ