ইভ্যালির পর প্রতারণার শিকার হয়েছেন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ধামাকার (ইনভ্যারিয়েন্ট টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেড) ৬৫০ জন সেলারসহ ৩ লাখ গ্রাহক। ধামাকা শপিং ডটকমে উদ্যোক্তা বা সেলারদের ২০০ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সংবাদ সম্মেলনে ধামাকা শপিং ডটকম সেলার অ্যাসোসিয়েশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম এসব দাবি করেন।

সেলারদের এই টাকা পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে ফেরতের দাবি করা হয়। এ সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধ না করলে প্রতিষ্ঠানটির এমডি ও চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন তারা।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ধামাকা শপিং ডটকম সেলার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, ধামাকার চেয়ারম্যান ডা. এম আলী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম ডি জসিম উদ্দিন চিশতীর কাছ থেকে আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে সেলারদের পাওনা প্রায় ২০০ কোটি টাকা ফেরতের দাবি করছি।’ 

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গ্রাহকদের এক লাখ পণ্য ডেলিভারি বাকি রয়েছে। যা টাকার অংকে ১০০ কোটি টাকা।’

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গ্রাহকদের পণ্য দিয়ে বিল সাবমিট করার ১০ কার্যদিবসের মধ্যে পাওনা অর্থ পরিশােধের কথা বলে আমাদের কাছ থেকে টাকা নেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে সেই ১০ কার্যদিবস এখন ১৬০+ দিবসে অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু এপ্রিল থেকে ধামাকার নির্দেশিত গ্রাহকদের নিকট পণ্য সরবরাহ বাবদ সেলারদের পাওনা প্রায় ২০০ কোটি টাকা পরিশোধ করেনি।

অ্যাসোসিয়েশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম সাংবাদিক সম্মেলন লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘ধামাকা শপিং ডটকমের চেয়ারম্যানের পরিচালনায় সুদৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করে সেলারদের পাওনা অর্থ ফেরত ও গ্রাহকের পণ্য সরবরাহের প্রয়ােজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।’

একই সঙ্গে সেলার ও তিন লাখ গ্রাহকের মানবিক দিক বিবেচনা করে ইনভ্যারিয়েন্ট টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেডের
ব্যাংক হিসাব খুলে দেওয়াসহ ধামাকা শপিং ডটকম সম্পর্কে যথাযথ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিশেষ অনুরোধ করা হয়।

এমআই/ওএফ