শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি শিগগিরই
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এই গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৬৭ হাজার শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হতে পারে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেন এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ইতিমধ্যে পাওয়া গেছে। এখন প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম শেষ হলেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে শূন্য পদের সংখ্যা কত থাকবে- এমন প্রশ্নের জবাবে মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এ সংখ্যা প্রায় ৬৭ হাজার হতে পারে। তবে চূড়ান্তভাবে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সময় এ সংখ্যা কিছুটা বাড়তে বা কমতে পারে।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, যাচাই-বাছাই শেষে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ৬৭ হাজার ২০৮টি শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এখন যেকোনো দিন সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারে এনটিআরসিএ।
জানা গেছে, সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তির জন্য প্রাথমিকভাবে ৭২ হাজার শূন্য পদের চাহিদা পাওয়া গিয়েছিল। এর মধ্যে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে ৩০ হাজার ২৭৯টি, মাদ্রাসায় ৪০ হাজার ৮৩৮টি এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৮৯১টি পদ ছিল। যাচাই-বাছাই শেষে এসব পদ মিলিয়ে মোট সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৬৭ হাজার ২০৮টিতে।
এর আগে সর্বশেষ গত বছরের ১৬ জুন ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। ওই বিজ্ঞপ্তিতে শূন্য পদের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮২২টি। এর বিপরীতে ফলাফল প্রকাশ করা হয় গত বছরের ১৯ আগস্ট। সে গণবিজ্ঞপ্তির আওতায় ৪১ হাজার ৬২৬ জন শিক্ষককে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।
২০০৫ সাল থেকে এনটিআরসিএ শিক্ষক নিবন্ধন সনদ প্রদান করে আসছে। তবে শুরুর এক দশক পর্যন্ত শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ছিল সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির হাতে। পরে ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর সরকার এনটিআরসিএকে শিক্ষক নিবন্ধন সনদ দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করার ক্ষমতা প্রদান করে।
এরপর থেকে এনটিআরসিএ ছয়টি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫২৪ জন শিক্ষককে নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ করেছে।
আরএইচটি/এমএসএ