প্রতীকী ছবি

সরকারি স্কুলে ভর্তিতে ৭৮ হাজার ১৪৪ আসনের বিপরীতে সমসংখ্যক অপেক্ষমান তালিকা প্রকাশ করা হবে। অর্থাৎ মেধাতালিকায় সুযোগ পাওয়ার পর কোনো শিক্ষার্থী যদি ভর্তি না হয় সেক্ষেত্রে অপেক্ষমান তালিকা থেকে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানো হবে। এ বিষয়টিও অনলাইনে মনিটরিং করা হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জানা যায়, ভর্তি প্রক্রিয়া কতদিন চলবে এবং কতদিন পর্যন্ত অপেক্ষমান তালিকা থেকে ভর্তি করা হবে, তা জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে ভর্তি সংক্রান্ত কমিটি ঠিক করবে।

এ প্রসঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (মাধ্যমিক) মোহাম্মদ আজিজ উদ্দিন ঢাকা পোস্টকে বলেন, সারাদেশে সরকারি স্কুলে ৭৮ হাজার ১১৪টি আসন আছে। সোমবার লটারিতে মেধা তালিকার বাইরে সমান সংখ্যক অপেক্ষমান তালিকা প্রকাশ করা হবে। যারা মেধাতালিকায় সুযোগ পেয়েও ভর্তি হবে না, সেসব আসনের বিপরীতে অপেক্ষমান তালিকা থেকে ভর্তি করানো হবে।

তিনি জানান, এই অপেক্ষমান তালিকা সফটওয়ারের মাধ্যমে করা হবে। প্রতিনিয়তই এটা মনিটরিং করা হবে। প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার পর অনলাইনে ইনপুট দিতে হবে। সেই অনুযায়ী পরবর্তীতে অপেক্ষমান তালিকা থেকে কত আসনের বিপরীতে কতজন ভর্তি হবে সেটাও অনলাইনে দেখা যাবে। 

সারাদেশে সরকারি স্কুল ভর্তির লটারি সোমবার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠিত হবে।

সারাদেশে ৭৮ হাজার ১১৪টি আসনের বিপরীতে এবার আবেদন পড়েছে ৫ লাখ ৭৩ হাজার ৩১১টি।

যেভাবে হচ্ছে লটারি

সারাদেশের লটারি সফটওয়্যারের মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে হবে। শিক্ষামন্ত্রী উদ্বোধনের পর লটারি শুরু হবে। প্রথমে রাজধানীর স্কুলগুলো, এরপর পর্যায়ক্রমে মহানগরী, জেলা ও উপজেলা শহরের স্কুলগুলোর লটারি হবে।

লটারির কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশন ও অনলাইনের মাধ্যমে প্রচার করা হবে। এছাড়াও স্কুল কর্তৃপক্ষ তার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে এ লটারি দেখতে পারবে। শিক্ষার্থী বা অভিভাবক স্কুলে গিয়েও তা দেখার সুযোগ পাবে।

ভর্তির লটারি নির্ভুল করতে দুই দফা ট্রায়াল লটারি করা হয়েছে। আশা করি সোমবারের লটারিতে শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের স্কুল পাবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (মাধ্যমিক) মোহাম্মদ আজিজ উদ্দিন বলেন, লটারির ফলাফল তাৎক্ষণিক প্রতিষ্ঠানের মেইলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। প্রতিষ্ঠান সেটি প্রিন্ট করে স্কুলে নোটিশ বোর্ডে টানিয়ে দেবে।

এবারও স্কুলগুলোকে তিনটি গুচ্ছ বা গ্রুপ (এ, বি এবং সি) করে ভর্তির কাজটি করা হবে। ভর্তি আবেদনের সময় একজন শিক্ষার্থী একটি গুচ্ছের পাঁচটি বিদ্যালয়ে ভর্তির পছন্দক্রম দিতে পেরেছে।

এনএম/জেডএস