গত চাঁদরাতে ওটিটি প্লার্টফর্মে মুক্তি পেয়েছে দেশের জনপ্রিয় নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ওয়েবফিল্ম ‘লাস্ট ডিফেন্ডারস অব মনোগামী’। যেখানে মুখ্য দুই চরিত্রে অভিনয় করছেন চঞ্চল চৌধুরী ও জেফার রহমান। 

ওয়েব ফিল্মটি মুক্তির পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে পর্দায় চঞ্চল ও জেফারের রসায়ণ ভক্তদের দারুণ মুগ্ধ করেছে। একইসঙ্গে ওয়েব ফিল্মের গল্প কিছু ক্ষেত্রে বিতর্কেরও সৃষ্টি করেছে। 

বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী নিজেই। তিনি বলেছেন, ২০ বছর আগে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ব্যাচেলর’ সিনেমার কম্প্যানিয়ন পিস বলা যায় মনোগামীকে। 

এক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘কোন সন্দেহ ছাড়াই ব্যাচেলরের এক ধরনের কম্প্যানিয়ন পিস বলা যায় মনোগামীকে। ব্যাচেলরে ঢাকার কিছু ব্যাচেলরের লাইফ দেখানোর চেষ্টা করেছি। আর মনোগামীতে ডিজায়ার আর গিল্ট ফিলিংয়ের মল্লযুদ্ধে ক্লান্ত এক মানুষকে ফলো করার চেষ্টা করছি। কাজটা করে খুবই আনন্দ পেয়েছি। অ্যাকচুয়ালি, আমার শেষ কাজগুলো অনেকটা সিরিয়াস টোনের ছিল। ফলে যারা আমার হিউমার পছন্দ করত, তারা প্রায়ই আমাকে কমপ্লেইন করতো এটা নিয়ে। তাদের কমপ্লেইন বাদ দিলেও, আমি নিজেও আসলে এই হিউমার ডিল করাটাকে মিস করছিলাম।’ 

দর্শকের প্রতিক্রিয়ার কথা বলতে গিয়ে এই নির্মাতা বলেন, ‘মনোগামীর কারণ একটা বিশাল অডিয়েন্সকে ফিরে পেয়েছি। যারা সত্যিকার অর্থে পিপড়াবিদ্যা থেকে শুরু করে এর পরের কাজগুলোতে আমার ওপর অভিমান করেছিল যে, আমি কেন ওই হিউমারগুলা আর ডিল করছি না। সেই অডিয়েন্সরা ফিরে আসছে এবং তারা অনেকেই চিঠি লিখেছে। এটা জেনে আমি খুবই আনন্দিত। ব্যাচেলরের পরে যেরকম তর্ক-বিতর্ক হতো। এটির ক্ষেত্রেও সেটা হচ্ছে। এটি আসলেই খুব ভালো। মনোগামী নিয়ে মানুষের ভালো, মন্দ, প্রশংসা, সমালোচনা- সবকিছুই আমি সাদরে গ্রহণ করছি। আপনাদের সবার জন্য ভালোবাসা।’ 

সবশেষ ফারুকী তার স্ট্যাটাসে যোগ করেন, ‘বিবাহিত পুরুষদের মধ্যে যারা পেরেশানিতে পড়েছেন, তারা প্লিজ বউকে বলে দেন, এটা ফারুকীর বায়োগ্রাফি, এটার সাথে আপনার কোনো সম্পর্ক নাই।’

এনএইচ