বলিউডের সবচেয়ে প্রভাবশালী তারকাদের একজন সালমান খান। নব্বই দশক থেকে দাপটের সঙ্গে শাসন করছেন মুম্বাই সিনে ইন্ডাস্ট্রি। তবে ২০০৯ সালের পর তিনি নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। একের পর এক সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন।

সাধারণত সিনেমা থেকে লাভের অংশ পান সালমান খান। তবে শোনা যায়, প্রতিটি সিনেমা থেকে ১০০ কোটি রুপির বেশি আসে তার ঝুলিতে। এর বাইরে টেলিভিশন রিয়্যালিটি শো থেকেও মোটা অংকের আয় করেন সাল্লু। বিশেষ করে ‘বিগ বস’-এর প্রতি সিজনে ৩০০-৪০০ কোটি রুপি পান অভিনেতা।

এগুলো ছাড়াও নানাবিধ ব্যবসা রয়েছে সালমান খানের। সব মিলিয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন অঢেল সম্পদের পাহাড়। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, সালমানের মোট সম্পদের পরিমাণ ৩৬০ মিলিয়ন ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি!

প্রশ্ন হলো, সালমান খানের পর এই পাহাড়সম সম্পদের মালিক কে হবেন? ৫৬ বছর পেরিয়ে এখনো বিয়ে করেননি তিনি। নেননি কোনো সন্তান দত্তক। তাহলে কে পাবেন এসব সম্পদ? এর জবাব সাল্লু নিজেই দিয়েছেন।

বছর খানেক আগেই সালমান এক সাক্ষাৎকারে জানান, তিনি তার অর্ধেক সম্পদ একটি ট্রাস্টের নামে দিয়ে যাবেন। যদি ভবিষ্যতে কখনো বিয়ে না করেন, তাহলে পুরো সম্পদই সেই ট্রাস্ট পাবে। এমনভাবেই কাগজপত্র তৈরি করবেন ভাইজান।

সালমান ইতোমধ্যে একাধিক সংস্থা পরিচালনা করেন। তার প্রতিষ্ঠিত ‘বিইং হিউম্যান’ এখন বেশ জনপ্রিয় সংস্থা। কিছুদিন আগে শোনা যায়, তিনি ভারতজুড়ে স্বল্পমূল্যের সিনেমা হলও চালু করবেন। এছাড়া প্রতি বছরই বিশাল অংকের অর্থ দান করে দেন অভিনেতা।

একবার এক সাক্ষাৎকারে সালমান জানান, আয়ের মাত্র ১০ শতাংশ নিজের কাছে রাখেন তিনি। বাকি ৯০ শতাংশ বিভিন্ন মাধ্যমে দান করে দেন।

কেআই/আরআইজে