ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে আমাদের অনেক সময় অনেক ধরনের অপমান অপদস্থের মুখোমুখি হতে হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পরিস্থিতির কারণে সেটা আবার সহ্য করেও নিতে হয়। ব্যতিক্রম নন তারকা ব্যক্তিরাও। বরং তাদের ক্ষেত্রে মাঝেমধ্যে বিষফোড়ার মতো ধরা দেয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। হরহামেশাই নেটমাধ্যমে কটাক্ষের শিকার হতে হয় তাদের।

এবার বিষয়টি নিয়ে নিজের অভিমত ব্যক্ত করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। ফেসবুকে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়া একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘কোনো অপমানই এখন আর আমার গায়ে লাগে না। সেটা হোক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অথবা ব্যক্তিজীবনে। কারণ বয়স যেমন হয়েছে, ধৈর্যও বেড়েছে পাল্লা দিয়ে। এটা আমার দুর্বলতা নয়।’

প্রিয় তারকার এমন পোস্টে রহস্যের দানা বেঁধেছে তার ভক্তদের মনে। হঠাৎ কী হলো চঞ্চলের? অবশ্য মন্তব্যের ঘরে অনেক অনুরাগীই তার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেতার সহকর্মীরাও।

নির্মাতা সকাল আহমেদ লেখেন, ‘বিষয়টি ইকটু (একটু) চিন্তার। এমন সহজ সরল কথা কিন্তু প্রতিপক্ষকে অপমান করার মতো। তোর সরলতার তো একটা শক্তি আছে। এই শক্তি গায়ে না লাগলেও প্রতিপক্ষের মনে ঠিকই লাগবে।’ অভিনেত্রী শাহনাজ খুশি লেখেন, ‘আগে বাড়ার এটাই উপযুক্ত ভাবনা। তোমার উজ্জ্বল অবস্থান সেটা বলে দেয় বন্ধু। ব্যর্থ এবং অযোগ্য মানুষেরা, নিজেদের ব্যর্থতার যাতনায় চারপাশে একটু ঘুরবেই, এমনই লা-পাত্তা এবং বৃন্দাজ দু-লাইন লিখে দিবা। ব্যস!’ অভিনেত্রী চিত্রলেখা গুহের কথায়, ‘এটা তো একদমই আমার কথা রে। আমার তো হজম করার ক্ষমতাও অনেক। কোনো এসিডিটি হয় না।’

তবে কথাগুলো কি চঞ্চল তার বাস্তব জীবন থেকেই নিয়েছেন নাকি কোনো সিনেমার সংলাপ—সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। কেননা, যে ছবির ক্যাপশনে তিনি এমনটা লিখেছেন সম্প্রতি সেই লুকেই ধরা দিয়েছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘লাস্ট ডিফেন্ডার অব মনোগামী’ ছবিতে। এতে মধ্যবয়সীর একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। অনেকেই ধারণা করছেন, হয়তো ‘মনোগামী’ সিনেমার সংলাপ এটি। এই ছবিতে তার বিপরীতে দেখা যাবে সংগীতশিল্পী ও মডেল জেফার রহমানকে। চরকির ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রজেক্টের ১২টি সিনেমার একটি ‘মনোগামী’।

এছাড়া মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে চঞ্চল চৌধুরী অভিনীত প্রথম টলিউড সিনেমা ‘পদাতিক’। এতে প্রখ্যাত ভারতীয় নির্মাতা মৃণাল সেনের চরিত্রে ধরা দেবেন তিনি। ছবিটি পরিচালনা করেছেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়।

কেএইচটি