ছবি : দ্য সান

শব্দের গতির চেয়ে ৫ গুণ অধিক গতিবেগসম্পন্ন (হাইপারসনিক) ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত করেছে ইরান। দেশটির আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।

বাতাসে শব্দের গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩৪৩ মিটার। সেই হিসেবে ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রতি সেকেন্ডে ১ হাজার ৭১৫ মিটার পথ পাড়ি দিতে সক্ষম।

ইরানের সেনাবাহিনী ও এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্পের কর্মকর্তা কমান্ডার আমির আলি হাজিজাদেহ তাসনিম নিউজকে বলেন, ‘নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্রটি পৃথিবীর বায়ুমন্ডল ও বায়ুমণ্ডলের বাইরের লক্ষবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। এমনকি শত্রুপক্ষের অ্যাডভান্সড অ্যান্টি-মিসাইল সিস্টেমকে ফাঁকি দেওয়ার মতো ক্ষমতাও আছে এটির। ক্ষেপণাস্ত্র বিজ্ঞানে আমাদের নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্র রীতিমতো একটি বড় উল্লম্ফণ।’

তবে নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ ইরান করেছে কিনা— সে সম্পর্কিত কোনো তথ্য এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। পারমাণবিক অস্ত্র প্রকল্প নিয়ে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে থাকা এই ইসলামি প্রজাতন্ত্র গত কয়েক বছরে নিজেদের সমৃদ্ধ করেছে বটে, কিন্তু পশ্চিমা অনেক সামরিক বিশেষজ্ঞের মতে, ইরান মাঝে মাঝে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে বাড়িয়ে বলে।

তবে সমরাস্ত্র নির্মাণের পাশপাশি সম্প্রতি মহাকাশ প্রকল্পও শুরু করেছে ইরান। গত সপ্তাহেই ঘায়েম ১০০ নামের একটি তিন স্তরবিশিষ্ট মহাকাশযানের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করার তথ্য দেওয়া হয়েছে দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে।

এই মহাকাশযানটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে পৃথিবীর কক্ষপথে সর্বোচ্চ ৮০ কেজি ওজনের স্যাটেলাইট স্থাপন করতে সক্ষম।

যুক্তরাষ্ট্রর পক্ষ থেকে অবশ্য বলা হয়েছে, মহাকাশে পারমাণবিক বোমা বহন ও বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্যই ঘায়েম ১০০ তৈরি করেছে ইরান।

এসএমডব্লিউ